পাথেয় রিপোর্ট : মন্ত্রিসভা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৯’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
সচিবালয়ে দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৯’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কাস্টমস আইন, ২০১৯-এর খসড়ারও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, গত ২০০২ সালে এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়। এর মেয়াদ ছিল ১৭ বছর। সেই ১৭ বছরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল শেষ হয়। মেয়াদ বাড়ানোর কারণে এই আইনের মেয়াদ হবে ২২ বছর। আাগমী ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল এর মেয়াদ মেষ হবে।
আইনের মেয়াদ বাড়ানোর কারণ হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর কিছু মামলা এই আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। তাই এই আইনের কার্যকারিতা রয়েছে। ফলে মন্ত্রিপরিষদ মনে করেছে আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো প্রয়োজন।’
আইনটির সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আইনের মূল অংশে কোনও কিছু সংশোধন হয়নি। আইনে বলা হয়েছে এর মেয়াদকাল ১৭ বছর হবে। সংশোধনে ১৭-এর স্থলে কেবল ২২ বছর লিখা হয়েছে। ফলে এর কার্যকারিতা থাকছে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈঠকে কাস্টমস আইন-২০১৯ এর খসড়ার চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনটি পাসের জন্য ২০১৮ সালে দশম জাতীয় সংসদে পাঠানো হয়েছিল। তবে সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এটি আর সংসদে উপস্থাপন করা যায়নি। ফলে সেই আইনটি অবিকল ও হুবহু কোনও পরিবর্তন ছাড়াই আবারও মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। পরে মন্ত্রিসভা এর অনুমোদন দেয়।
সচিব জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরো সাতটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে প্রখ্যাত দুই কণ্ঠশিল্পী খালিদ হোসেন ও সুবীর নন্দীর মৃত্যুতে শোক জানানো হয়। বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপে লাওসের সঙ্গে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে এবং আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।


