কৃষিবান্ধব উদ্যোগ প্রশংসনীয়

কৃষিবান্ধব উদ্যোগ প্রশংসনীয়

বাজেট ২০১৯-২০২০

কৃষিবান্ধব উদ্যোগ প্রশংসনীয়

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : দাবি ছিলো কৃষকবান্ধব হোক বাজেট ২০১৯-২০২০। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় একাদশ সংসদের প্রথম বাজেটের খসড়া উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে কৃষকের বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়েছে। সাধারণ ভোক্তা অধিকারের বিষয়টিও এ বাজেটে গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। আশা ও নিরাশার এই বাজেটে মাদকের বিরুদ্ধে বলা যায় যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয়।

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শীর্ষক প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের পর বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা শুরু করেন। এটি দেশের ৪৮তম ও বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। আর অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি প্রথম বাজেট। যদিও গত সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে অনেক বাজেট প্রণয়নে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তিনি।

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’- শিরোনামের এবারের বাজেট শুধু এক বছরের জন্য নয়, তৈরি করা হয়েছে ২০৪১ সালকে টার্গেট করে। তবে এ বাজেট সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সরকারকে মুখোমুখি হতে হবে নানা প্রতিকূলতার।

যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রবৃদ্ধিতে অসমতা, বিনিয়োগ সংকট, সুশাসনের ঘাটতি, ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থা, অর্থনীতির আকারে রাজস্ব আদায় কম, বৈদেশিক লেনদেন ঘাটতি।

তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অর্থমন্ত্রী প্রবৃদ্ধিকে আগামী তিন বছরে ৮ দশমিক ৬ শতাংশের ঘরে নেয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বিশাল ব্যয়কে মেলাতে গিয়ে উচ্চ রাজস্ব আদায়ের হিসাবও করেছেন তিনি। প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটকে জনকল্যাণমুখী বললেও এই বাজেটে ৭০ ভাগ খুশি হয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক।

বৃহস্পতিবার বনানীর নিজ বাসভবনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুবানা হক বলেন, বাজেট জনকল্যাণমুখী হয়েছে। তবে পোশাক মালিকরা শতভাগ খুশি নয়। আমরা ৭০ ভাগ খুশি হয়েছি। ৫ শতাংশ প্রণোদনা চাওয়া চাইলেও ১ শতাংশ প্রণোদনা পেয়েছি। এটাকে যৎ সামান্য মনে করি।

কারণ পোশাক শিল্প ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এ সময় অন্তত ৩ শতাংশ আর্থিক প্রণোদনা প্রয়োজন ছিল। অবশ্য তৈরি পোশাক খাতের ব্যবহৃত ওয়াসা ও বিদ্যুৎ বিলের ওপর শতভাগ ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে, এতে ভোগান্তি কমবে।

আমরা আশা করবো, বাজেটে কৃষকের জন্য আরও বেশি সুযোগ রাখা উচিত। দেশের পণ্য বিদেশে রফতানী সুবিধা দিতে পারলে দেশ আরও উন্নত হবে এবং আশা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জনেও সক্ষমা বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা মনে করি।

ইনসার্ট: বাজেট জনকল্যাণমুখী হয়েছে। তবে পোশাক মালিকরা শতভাগ খুশি নয়। আমরা ৭০ ভাগ খুশি হয়েছি। ৫ শতাংশ প্রণোদনা চাওয়া চাইলেও ১ শতাংশ প্রণোদনা পেয়েছি। এটাকে যৎ সামান্য মনে করি। কারণ পোশাক শিল্প ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এ সময় অন্তত ৩ শতাংশ আর্থিক প্রণোদনা প্রয়োজন ছিল

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *