পাথেয় রিপোর্ট : ভারতীয় সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর বিভিন্ন মিথ্যা অজুহাতে ভারতের উগ্রবাদী হিন্দু কর্তৃক অব্যাহত জুলুম-নির্যাতন, খুন-ধর্ষণ ও গরু-জবাইসহ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে বাঁধা প্রদানের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে ৩০ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে জমায়েত শেষে স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে ভারতীয় দূতাবাস অভিমূখে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
গণমিছিলে নেতৃত্ব দিবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই। জমায়েতে জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উলামা-মাশায়েখ, দীনদার ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখবেন। ভারতে মুসলিম নিধন বন্ধের দাবিতে চলতি মাসের ৫ জুলাই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এবং ১১ জুলাই গোলটেবিল বৈঠক ও ১৩ জুলাই সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনশেষে দূতাবাস অভিমুখে গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করে দলটি। ইতোমধ্যেই গণমিছিলের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনও শত সাপেক্ষে গণমিছিলের অনুমতি দিয়েছে।
গণমিছিলের পর ভারত মুসলিম নিধন বন্ধ না করলে প্রয়োজনে মুসলমানরা ভারত অভিমুখে লংমার্চ করতে বাধ্য হবে। দলের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম গণমিছিল সফল করতে সংগঠনের নেতাকর্মী ও দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতার প্রতি আহ্বান জানান।
এরআগে রোববার (২৮ জুলাই) বিকাল ৩টায় ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবন মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী আইনজীবী পরিষদ আয়োজিত আইনজীবী সমাবেশ ও পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজনৈতিক দলে নয়, ইসলামে সবাই নিরাপদ মন্তব্য করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীরে চরমোনাই বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে বিএনপি নিরাপদ নয়, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগ নিরাপদ নয়। কিন্তু ইসলামে সবাই নিরাপদ। এমনকি সংখ্যালঘুরাও বেশি নিরাপদ।
ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠা হলে সকলেই নিরাপদে বসবাস করতে পারবে উল্লেখ করে মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি সন্ত্রাস, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বড় বাধা। বিচার বহির্ভূত হত্যা, গণপিটুনিতে নিরীহ মানুষ হত্যা, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘ সূত্রিতার কারণে মানুষ বিচার বিভাগের প্রতি আস্থাহীন পড়েছে। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। এর একটি আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি বিজ্ঞ আইনজীবীদেরকে মানবরচিত শাসন বাদ দিয়ে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার কথা বলেন। কারণ, ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠা হলে সকলেই নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।


