পাথেয় রিপোর্ট : আল-জামিয়াতুল আহ্লিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী আহ্বানে ভারতের কাশ্মীরে মুসলিম নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ বন্ধ এবং বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও প্রিয় সাহার রাষ্ট্র বিরুধী বক্তব্যের বিচারে দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সচিব মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।
তিনি জানা, প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী। বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে যোগদান করে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধ ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে সর্বস্তরের মুসলমানদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা মীর ইদরিস নদভী।
এরআগে মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে মাওলানা বাবুনগরী বলেন, ১৯৪৭ সালে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ এবং সংবিধানের ৩৭০ ধারা; যার মাধ্যমে তাদের একটা স্বতন্ত্র এবং স্বায়ত্তশাসন ছিল;হিন্দুত্ববাদি বিজেপি সরকার গায়ের জোরে অস্ত্রেরমুখে এই সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে কাশ্মীরী মুসলমানের সে অধিকার কেড়ে নিয়েছে।
১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের প্রস্তাবনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কাশ্মীরের জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই সেখানকার সমস্যার সমাধান করতে হবে। অথচ ভারত জাতিসংঘের এই প্রস্তাবকে লঙ্ঘন করে অস্ত্রের বলে পুরো কাশ্মীরকে জুলুমের রাজ্যে পরিণত করেছে।
অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরকে সাংবিধানিক বিশেষ মর্যাদাদান সম্বলিত ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ এবং প্রশাসনিক বিভক্তিকরণের মাধ্যমে মোদি সরকার কাশ্মীরি জনগণের সাথে রাষ্ট্রীয় বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা করেছে। মিখাইল গর্ভাচেভের আমলে যেভাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে খানখান হয়েছিল, মোদি সরকারের আমলে ভারতের সেই পরিণতি হতে যাচ্ছে। মোদি ভারতকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পরিণতির দিকেই ঠেলে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


