কুয়েতের যেসব মসজিদে বাংলাদেশীরা ঈদের নামাজ পরাবেন
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাংলাদেশের মানুষদের জন্য নিশ্চয়ই এটা গর্বের যে, এ দেশের সন্তানেরা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ পরাবেন। কেবল মধ্যপ্রাচ্যে নয় আমেরিকায় যেমন এই রিপোর্টারের সঙ্গে পরিচিত মুফতি আবদুস সামাদ, মুফতী ওবায়দুল্লাহ, মুফতি ফয়জুল্লাহ, দক্ষিণ কোরিয়ায় মুফতী মোমতাজ উদ্দীনসহ আরও অনেকেই।
এদিকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগামী ১১ আগস্ট মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। কুয়েতের বিভিন্ন মসজিদে বাংলাদেশি খতিবরা ঈদুল আজহার দিনে ইমামতি করবেন। ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে।
১। নাসের আল হামাদ হাসাবিয়া বড় মসজিদ, ২। সালেহ আল ফুদালা মুরগাব কুয়েত সিটি, ৩। উমর বিন খাত্তাব (রা.) ফারওয়ানিয়া গাতা নং-৫, ৪। আব্দুল্লাহ বিন আমর রুমাইছিয়্যাহ গাতা নং-৪ ৫। নাদী ফুরুসিয়া কাবাদ (চেবদী), ৬। উসমান বিন আফ্ফান আমগারা, ৭। নাসের বেদাইন জাহরা নাদী ফুরুসিয়া সালমি রোড, ৮। সালেহ আন নামাশ জাহরা গানাম বাজার, ৯। আতিকী সুলাইবিয়া, ১০। মারজুক মু’তাদ মুতাইরি জুনুব জাহরা, ১১। আবু বকর হাসাবিয়া, ১২। আমর বিন আস হাসাবিয়া ৬নং রোড সংলগ্ন।
এ ছাড়া ১৩। আল মুরদাস ফাহাহীল, ১৪। সুলতান আল খালাফ মিনা আব্দুল্লাহ (নাদী ফুরুসিয়া), ১৫। আল ফাহাদ মুরগাব (সুক মুবারাকিয়া), ১৬। ফাহাদ আল মুজাবেব ইশবীলেয়া, ১৭। আমহুজ হামদান কাবাদ, ১৮। দাহিয়া আল নাঈম জাহরা, ১৯। ফালাহ আল মুতাইরী শুয়েখ।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগামী পরশু পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে। সৌদির একটি উচ্চ পর্যায়ের চাঁদ দেখা কমিটি ঈদ উদযাপনের ঘোষণা দেন। সৌদির উচ্চ পর্যায়ের এ কমিটির সিদ্ধান্ত পালন করে ঈদ উৎসব উদযাপন করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত, কাতার, বাহারাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ উৎসব পালিত হয়ে থাকে।


