নিজস্ব প্রতিবেদক ● নীলফামারীর সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির নেতা মো. শওকত চৌধুরীসহ নয়জনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির এক মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলার বাকি আসামিরা সবাই বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক কর্মকর্তা। শিগগির তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার কমিশনের বৈঠকে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির এই মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নীলফামারী-৪ আসনের সাংসদ শওকত চৌধুরী ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেনÑ কমার্স ব্যাংকের সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বংশাল শাখা ব্যবস্থাপক হাবিবুল গণি, সাবেক ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তা শিরিন নিজামী, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার বাউল, সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পানু রঞ্জন দাস, সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিকুল ইসলাম, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ইফতেখার হোসেন ও সাবেক এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তা আসজাদুর রহমান। দুর্নীতি দমন কমিশন গত বছরের ৮ মে ঢাকার বংশাল থানায় এই মামলা দায়ের করে।
পরে দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম তদন্তের দায়িত্ব পান। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের বংশাল শাখায় নীলফামারীর মেসার্স উদয়ন অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নামে ৮২ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯৫ টাকার পণ্য আমদানির কথা বলে দুটি ঋণপত্র খোলা হয়। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংসদ শওকত চৌধুরীসহ বাকি আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে সুদসহ ঋণের এক কোটি ১১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯১ টাকা আত্মসাৎ করেন।


