চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :: ভয়াবহ পাহাড়ধসে বিপর্যয়ের নয়দিনের মাথায় এসে রাঙামাটির সঙ্গে চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ চালু হয়েছে। বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে সড়কের সাপছড়ি শালবাগানে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত শেষে ওই এলাকা হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন বলেন, হালকা যানবাহন চলাচলের মধ্য দিয়ে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপিত হল।
গত ১৩ জুনের ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় ১১৮ জন মারা যাওয়ার পাশাপাশি রাঙামাটির সঙ্গে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার সংযুক্ত সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শাপছড়ি শালবাগান এলাকায়। চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটির দিকে ৬১ কিলেমিটারে সাপছড়ি ইউনিয়নের শাল বাগান এলাকায় দেড়শ ফুট নিচে দেবে যায় সড়কের একাংশ। সড়কটি মেরামত করে পুনরায় চলাচল উপযোগী করতে কাজ করে সেনাবাহিনীর সদস্য ও সওজ এর কর্মীরা। পাহাড় ধসে সড়ক ভেঙে যাওযার পর থেকে রাঙামাটি শহর থেকে সাপছড়ি শালবাগানের কিছু আগে অটোরিকশা করে গিয়ে পায়ে হেঁটে দুর্ঘটনাস্থল পার হয়ে অপর প্রান্ত থেকে ফের অটোরিকশায় ঘাগড়া বাজারে গিয়ে বাসে করে চট্টগ্রাম যাওয়া-আসা করতে হয়েছে যাত্রীদের।
মেরামত করা সড়কটি হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ এন সিদ্দিক, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর কবীর তালুকদার, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমীন, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


