অফিস বিলম্ব, মনোযোগ থাকে না কাজে

অফিস বিলম্ব, মনোযোগ থাকে না কাজে

অফিস বিলম্ব, মনোযোগ থাকে না কাজে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: গবেষণা বলছে, অফিসে দেরি করলে কর্তৃপক্ষের লস। কারণ, স্বাভাবিক উত্তরও ওটাই। ঘণ্টা যেমন কমে যায় তেমনি সমস্যা হয় অফিসের কাজে। যিনি বিলম্বে আসেন তারও মনোয়োগ থাকে না। যে কারণে দেরি করে আসেন সে কারণেই মন্ত্রমুগ্ধ থাকেন। অনেক তাড়াহুড়োর পরেও প্রায় প্রতিদিনই অফিসে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যায় অনেকেরই। এ নিয়ে বসের তিরষ্কারও শুনতে হয় নিশ্চয়ই? আর এর পাশাপাশি নিজের মনের মধ্যে তৈরি হয় তীব্র বিতৃষ্ণা? অল্পতেই হয়ে যান বিরক্ত? আসলে আপনার মতো এমন অসংখ্য চাকুরিজীবী রয়েছেন যারা অফিসে দেরি হওয়া নিয়ে নিজের উপর নিজেই বিরক্ত থাকেন। এমনকী অফিসে পৌঁছানোর পর কাজগুলোও অসহ্য লাগতে শুরু করে।

শহুরে জীবনে যানজট নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তার জ্যাম পেরিয়ে অফিস পৌঁছানো এবং বাড়ি ফেরা অসম্ভব ক্লান্তিকর। সম্প্রতি একটি জরিপে বিশেষজ্ঞরা দেখতে পেয়েছেন, যতটা সময় ধরে কেউ অফিস পৌঁছান, তার জব স্যাটিসফেকশন ততটাই কম। অফিসের কাছে যার বাড়ি তার থেকে অনেকাংশেই কম অন্তত।

সম্প্রতি পশ্চিম ইংল্যান্ডের এক দল গবেষক অফিস পৌঁছনোর জন্য অতিবাহিত সময় এবং কাজের প্রতি ভালোবাসার মধ্যে একটি যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন। তাদের দাবি, ‘প্রতি বাড়তি এক মিনিটে কর্মীর মানসিক স্ট্রেস বাড়তে থাকে এবং কাজের প্রতি অনীহা বাড়ে।

বলা হচ্ছে, ২০ মিনিট বাড়তি সময় কাটিয়ে ফেললে তা কর্মীর মনে ১৯ শতাংশ বেতন কেটে নেয়ার মতো প্রভাব ফেলে। এর ফলে কাজের কোনো আনন্দ উপভোগ করেন না কর্মী।

হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপের ৬টি শহরের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষের মত, পৌঁছতে দেরির কারণে কর্মক্ষেত্রে যে মানসিক হয়রানি তৈরি হয় তার পরিমাণ অনেক বেশি নতুন বাড়িতে শিফট করা বা ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়ার চাইতে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *