নিজস্ব প্রতিবেদক : সীমান্ত হাট। বাংলাদেশ-ভারতের মানুষের কাছে জনপ্রিয়। উভয় দেশের জনগণের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বশেষ ৭ এপ্রিল ভারত সফরকালে নবায়নকৃত (এমওইউ)-এর আওতায় বর্ডারহাটে বিক্রয়যোগ্য পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি বর্ডারহাটে পণ্য বিক্রেতার সংখ্যা ২৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ করা হয়েছে এবং পণ্য ক্রয়ের সীমা ১০০ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি করে ২০০ মার্কিন ডলার করা হয়েছে। উভয় দেশের মানুষের জনপ্রিয়তার কারণে সীমান্ত এলাকায় শিগগিরই আরও দুটো নতুন সীমান্ত হাট চালু হতে যাচ্ছে। এই দুটি সীমান্ত হাট চালুর সব আনুষ্ঠানিকতা এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৪টি হাট চালু রয়েছে। হাটগুলো দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি বড় অঙ্কের যে বাণিজ্য বৈষম্য রয়েছে তা কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে দিল্লিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলার ড. নাহিদ রশীদ সীমান্ত হাট সম্পর্কে বলেছেন, সীমান্ত হাটের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও নির্ধারিত দামে উভয় দেশের মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে।
ফলে চোরাচালান হ্রাস পাবে। নতুন হাট দুটো স্থাপিত হবে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার পশ্চিম বটুলী ও ভারতের উত্তর ত্রিপুরার পালবস্তি সীমান্তে এবং অপরটি স্থাপিত হবে কমলগঞ্জ উপজেলার কুমারঘাট ও ভারতের কামালপুর সীমান্তে। এছাড়াও ভারতের মেঘালয় সীমান্ত এলাকায় আরও ৪টি সীমান্ত হাট স্থাপনের প্রাথমিক সম্মতি প্রদান করা হয়েছে।
এগুলো স্থাপিত হবে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ, সুনাম গঞ্জের তাহিরপুর-সায়েদাবাদ, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার-বাগানবাড়ী এবং ময়মনসিংহের ধোবাউড়া-ভূইয়াপাড়া সীমান্তে। উল্লেখ, বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় ৪টি হাট চালু রয়েছে। এগুলো হচ্ছে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামারী সীমান্তে, সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার ডলোরা সীমান্তে, ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব মধুগ্রাম ও ছয়ঘড়িয়ার মধ্যবর্তী স্থানের সীমান্তে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তারাপুর সীমান্তে।


