নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় মেনে নেয়া যায় না : ইসলামী আন্দোলন
পাথেয় রিপোর্ট :: নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ৬৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়সহ বাড়িঘরে হামলা ভাঙচুর লুটপাটের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৭নং ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত বিজয়ী প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলরের কার্যালয় ও তার সমর্থকদের বাড়িতে এবং দোকানপাটে হামলা ও ভাঙচুর লুটপাট করে অত্যন্ত খারাপ দৃস্টান্ত স্থাপন করেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, হামলাকারী সন্ত্রাসীরা দেশ ও জাতির শত্রু। হামলা করে অশান্তি সৃষ্টি করা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। যারা হামলা করেছে তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে। কাজেই সন্ত্রাসীরা যে দলেরই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় অনতে হবে। নেতৃবৃন্দ প্রশাসনকে কঠোরহস্তে সন্ত্রাসীদের দমন করার আহ্বান জানান।
নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ৬৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মোঃ ইব্রাহিম-এর কার্যালয়সহ বাড়িঘরে হামলা ভাঙচুর লুটপাটের ঘটনা পরিদর্শন করতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সোমবার সকালে ডেমরা থানার ৬৭ নং ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবনেতা কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মুফতী নূর-উন নাবী, শ্রমিকনেতা ওবায়দুল্লাহ বরকত, মোফাজ্জল হোসেন নান্নু মুন্সিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় ৬৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মিযানুর রহমান, ৬৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী নূর-এ আলম নকীব, ৬৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ইঞ্জিয়িার হাজী আব্দুল ওয়াদুদ, ৭০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম-এর সাথেও সাক্ষাত করে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে আলোকপাত করেন।
দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, ইসলাম শান্তি ও মুক্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম এবং কল্যাণের ধর্ম। কাজেই কাউকে আঘাত করা, বিনা উস্কানী হামলা করা, কোন প্রকার আতঙ্ক সৃষ্টি ইসলাম সমর্থন করে না। তিনি নির্বাচিত কাউন্সিলর হাজী ইব্রাহিমকে অত্যন্ত ধৈর্য ও সাহসিকতার সাথে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আহ্বান জানান। সাথে সাথে যারা বিজয় হয়েও হতে পারেননি, তাদেরকেও ধৈর্যধারণ করাসহ পরিস্থিতি সামাল দিতে আহ্বান জানান।


