‘নাগরিকত্বের পেলে অর্ধেক বাংলাদেশি ভারতে চলে আসবে’

‘নাগরিকত্বের পেলে অর্ধেক বাংলাদেশি ভারতে চলে আসবে’

‘নাগরিকত্বের পেলে অর্ধেক বাংলাদেশি ভারতে চলে আসবে’

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতীয় নাগরিকত্ব পেলে বাংলাদেশের অর্ধেক মানুষ ভারতে চলে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি।

হায়দরাবাদে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীকে চন্দ্রশেখর রাওয়ের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে রেড্ডি বলেন, ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কীভাবে দেশে বসবাসরত ১৩০ কোটি ভারতীয়ের বিরুদ্ধে ছিল? ভারত যদি বলে, তাদের (বাংলাদেশি) নাগরিকত্ব দেবে তাহলে বাংলাদেশের জনসংখ্যা অর্ধেক হয়ে যাবে। নাগরিকত্বের প্রতিশ্রুতি দেয়া হলে অর্ধেক বাংলাদেশি ভারতে চলে আসবেন। তাদের দায়িত্ব কে নেবেন? কেসিআর? নাকি রাহুল গান্ধী? ওরা অনুপ্রবেশকারীদেরও নাগরিকত্ব চাইছেন।’

তার অভিযোগ, কংগ্রেসের মতো দলগুলো বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের জন্যও ভারতীয় নাগরিকত্ব চায়। তিনি বলেন, ‘ঠিক আছে, প্রয়োজনে ভারত সরকার সিএএ পর্যালোচনা করতেও প্রস্তুত।’

পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হওয়া যেসব হিন্দু নাগরিক ২০১৫ সালের আগে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাদের নাগরিকত্ব দেয়ার জন্যেই সিএএ আনা হয়েছে এই কথা আরও একবার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল দাবি করছে যে, ওসব দেশের মুসলমানদেরও ভারতীয় নাগরিকত্ব দেয়া হোক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী টিআরএস এবং তার ‘বন্ধুত্ব দল’ এইআইএমআইএমএর বিরুদ্ধে ভোট ব্যাংক রাজনীতি করার অভিযোগ আনেন।

‘আমি টিআরএসকে অনুরোধ করছি। আমি মুখ্যমন্ত্রীকেও (কেসিআর) অনুরোধ করছি। এমনকি আমি দেশের মুখ্যমন্ত্রীকে এও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি যে, প্রয়োজনে তিনি প্রমাণ করে দেখান যে, দেশের ১৩০ কোটি নাগরিকের মধ্যে একজন ব্যক্তিও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কি না’, যোগ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শরণার্থী ও অনুপ্রবেশকারী, এই দুটি বিষয় পুরোপুরি আলাদা, এদের সঙ্গে কখনোই এক রকম আচরণ করা উচিত নয়। কিছু শরণার্থী গত ৪০ বছর ধরে ভারতে কোনো সুযোগ-সুবিধা এবং ভোটার আইডি, আধার বা রেশন কার্ড ছাড়াই বাস করছেন। তাদের কথা ভেবেই মানবিক পদক্ষেপ নিয়েছেন কেন্দ্রের মোদি সরকার।

খবর : এনডিটিভি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *