সৌদি আরবে আরও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত

সৌদি আরবে আরও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সৌদি আরবে নতুন করে আরও ৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিবৃতির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয়। এ নিয়ে দেশটিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ জনে। সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা এসপিএ এ খবর জানিয়েছে।

দৈনিক আরব নিউজের অনলাইন প্রতিবেদন অনুযায়ী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ নতুন করে যে চারজন করোনায় আক্রান্ত হলেন, তাদের মধ্যে তিনজনই ইরান ভ্রমণ করে আসা আগের রোগীদের দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, ইরানে ১৯৪ মৃত্যু ছাড়াও কোভিড-১৯ রোগে এখন ৫ সহস্রাধিক সংক্রমিত।

অপরজন ইরান থেকে আমিরাত হয়ে দেশে ফিরে করোনায় আক্রান্ত হন। তবে এসপিএ-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আক্রান্ত ওই ব্যক্তি তার ইরান ভ্রমণের বিষয়টি জানাননি। এদিকে আগাম সতকর্তামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাতিফ প্রদেশে চলাচলে বিধি-নিষিধে আরোপ করেছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইরান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে করোনাভাইরাস বিস্তার লাভ করেছে। চীন আর ইতালির পর ইরানেই প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে ইরানে নাগরিকদের ভ্রমণ বাতিল করেছে সৌদি। সৌদির কোনো নাগরিক সেখানে ভ্রমণ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের লক্ষাধিক মানুষ এখন চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। ১০৪টি দেশে বিস্তার লাভ করা কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ৩ হাজার ৫৯৮ জন। তবে করোনায় সুস্থতার হারও অর্ধেকের বেশি।

গত ডিসেম্বরের শেষে উহান থেকে উৎপত্তি লাভের পর এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঘটনা ১ লাখ ৫ হাজার ৮০৪টি। আর প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৫৮ হাজার ৫৬৮ জন। ১৯৪ মৃত্যু এবং ৫ হাজার ৮২৩ আক্রান্ত নিয়ে ইরানের অবস্থান তৃতীয়।

উৎপত্তিস্থল চীন প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের কবলে পড়েছে সবচেয়ে বেশি। দেশটির সব অঞ্চলে থাবা মেরেছে করোনাভাইরাস। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের ৩ হাজার ৯৭ জন চীনের। এছাড়া দেশটিতে করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও ৮০ হাজারের বেশি। অবরুদ্ধ হয়ে আছে কোটি কোটি মানুষ।

চীনের পর সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে এই সংখ্যা এখন ৭ হাজার ৩১৩ জন। তবে চীনের পর ২৩৩ মত্যৃ নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ইতালি। সেখানে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *