পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সারাদেশে করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে থমকে গেছে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা। মন্দার মুখে দেশের অর্থনীতি। দেশব্যাপী দূরাবস্থার চলমান এ সময়ে দেশের কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানালেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ও জাতীয় দ্বীনি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।
আল্লামা মাসউদ বলেন, করোনা বিস্তাররোধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ পাশাপাশি খেটে খাওয়া মানুষদের লকডাউনের সময়ে খাবার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ত্রাণ তহবিল গঠনের জন্য আমি সরকারের প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘মানুষকে ঘরে আটকে রাখলেই হবে না, তাদেরও খাদ্য ও জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা আমাদের করে দিতে হবে’ এর প্রশংসা করছি। এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দেশের অন্যতম শিক্ষা ব্যবস্থাপনা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের প্রতি এই দুর্যোগ মুহূর্তে সহানুভূতি প্রকাশ করবার।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে নিজ বাসভবন থেকে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর খলিফা শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এসব কথা বলেন।
এ বিবৃতিতে আল্লামা মাসউদ আরও বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশের সব কওমি মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ ও মাদ্রাসা ভবনের ভাড়া প্রদানে চরম সংকটে আছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষরা। মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষকগণ কোনরকমে দিনগুযরান করছে লকডাউনের এই সময়টাতে। তাই সরকারের উচিত কওমি মাদ্রাসার এই শিক্ষকদের অর্থনৈতিক দূরাবস্থা উত্তরণে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়া।
প্রসঙ্গত, ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশের সব কওমি মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষণা করে কওমি মাদ্রাসার সমন্বিত বোর্ড আল হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া।
এর আগে ১৬ মার্চ (সোমবার) দুপুরে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সব আলিয়া মাদ্রাসাও বন্ধ হয়েছে।


