স্বাস্থিবিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়

স্বাস্থিবিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কোথায় করোনা আর কোথায় স্বাস্থ্যবিধি? সবকিছুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো মানুষের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। করোনা আতঙ্ক নয়, যেন ঈদের ছুটির আনন্দে হাজার হাজার মানুষ নাড়ির টানে ছুটছেন।

তবে মানুষের এই ভিড় দেখে অনেকেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

রোববার (১৭ মে) শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের লঞ্চ, স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

জানা যায়, ঘরমুখো দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রী চাপ বেড়েছে। ঘাটে নেই কোনো গণপরিবহন বাস বা মাইক্রোবাস। দক্ষিণাঞ্চলের দূরপাল্লার যাত্রীরা যানবাহন না পেলেও বরিশাল ও পটুয়াখালী যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেলযোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে। ঘাটে ফেরি ভেড়ার সঙ্গে সঙ্গে শত শত যাত্রী গাদাগাদি করে নামছেন। সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষা করে গাদাগাদি করে যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন।

এদিকে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা না থাকায় ঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে অধিক হারে। উভয় পাড়ে শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় পদ্মা পার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পিরোজপুরগামী যাত্রী আকলিমা বেগম জানান, আমার দাদি মারা গেছেন, ঢাকা থেকে ভোরে রওনা দিয়ে ঘাটে এসে পৌঁছেছি। সকাল ৭টায় ঘাট থেকে পিরোজপুর যেতে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা খরচ হয়ে যাবে। ঝুঁকি নিয়ে এভাবে আমরা তিন নারী যাত্রী ফেরি পার হয়েছি।

বরিশালগামী যাত্রী মোহাম্মদ আলী জানান, ঢাকা থেকে এ পর্যন্ত আসলাম কিন্তু মোটরসাইকেল আর ইজিবাইক ছাড়া কোনো যানবাহন ঘাটে নেই। এতে খুবই সমস্যায় পড়েছি। তবে জরুরি প্রয়োজন না হলে এভাবে ঝুঁকি নিয়ে বের হতাম না।

বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়িঘাট ম্যানেজার আ. আলীম বলেন, এ রুটে ১৩টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। উভয় পাড়ে শত শত যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *