ডাকাতির মামলায় চার সেনা ও পুলিশ সদস্যের দশ বছরের কারাদণ্ড
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : খিলক্ষেত আঠার লাখ ৯ হাজার টাকা ডাকাতির একটি মামলায় চার সেনা ও এক পুলিশ সদস্যের ১০ বছর করে কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা করে অর্থদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
সোমবার ঢাকার সাত নম্বর বিশেষ জজ (জেলা জজ) মো. শহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দন্ডপ্রাপ্ত হলেন- ঘটনাকালীন সময়ে যশোর সেনানীবাসে কর্মরত ল্যান্স কর্পোরাল মনিরুল ইসলাম ওরফে রিপন, ঘটনাকালীন সময়ে র্যাব সদর দপ্তরে কর্মরত সৈনিক মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. লুৎফর রহমান খান ও মো. লিটন হাওলাদার ও ঘটনাকালীন সময়ে শাহবাগ পুলিশ কন্টোল রুমে কর্মরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোসাদ্দেক হোসেন খান। রায়ে উক্ত আসামিদের অর্থদন্ডের টাকা অনাদায়ে তাদের আরও ১ বছর কারাদন্ডের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় কারাগারে থাবা আসামি মোসাদ্দেক হোসেন খান, লিটন হাওলাদারকে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাদের আবার কারাগারে পাঠানো হয়। অপর আসামিরা পলাতক।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জেকে সেলস অ্যান্ড ডিস্টিবিউশন কোম্পানির ম্যানেজার মাঈন উদ্দিন, একাউন্টটেন্ট মো. সেলিম , ইঞ্জিনিয়ার মো. হানিফ, ড্রাইভার নুরুল হকদের সাথে নিয়ে সাউথ ইস্ট ব্যাংকে আঠার লাখ ৯ হাজার দুইশত টাকা জমা দিতে রওনা দেন। তারা অফিস হতে গাড়ীতে বাহির হয়ে লিখক্ষেত থানাধীন ১৩ নং রোডের মাথায় লোটাস কামাল বিল্ডিং এর কাছে কাভার্ড ভ্যান পৌঁছালে র্যাবের পোষাক পরিহিত একটা মাইক্রোবাস গতিরোধ করে দাড়ান। গাড়ির থামালে পেছনের বক্স খুলতে বলেন। ড্রাইভার গাড়ির পিছনের দরজা খুলে দেয়। দরজা খোলার সাথে সাথে তারা ব্যাগ ভর্তি টাকাসহ একাউন্টটেন মো. সেলিম, ইঞ্জিনিয়াার মো. হানিফকে তাদের মাইক্রোতে তুলে নিয়ে যান। ওই সময় ড্রাইভারকে হুমকি দিয়ে বলে তাদের র্যাব-১ এ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাদেরকে র্যাব-১ এ নিয়ে না গিয়ে ভাষানটেকের মাটিকাটা নামক স্থানে তাদের নামিয়ে দিয়ে ব্যাগ নিয়ে চলে যান। ওই ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় মাঈন উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তার করে তাদের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা ও মাক্রোবাস জব্দ করে পুলিশ। তদন্তের পর একই বছর ৩০ আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। মামলাটির বিচারকালে আদালত ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।


