কে হচ্ছেন হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান
পাথেয় রিপোর্ট : আল্লামা আহমদ শফীর ইন্তেকালের আগেই হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া হারিয়েছে তাদের উত্তরসূরীদের। কো-চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলী ও বেফাক সহসভাপতি মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ। তারা বেঁচে থাকলে হয়তো উত্তরসূরী নির্বাচনে সহজ হতো। এদিকে কওমী মাদরাসা সর্বোচ্চ শ্রেণি হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ার অধীনে দাওরায়ে হাদিসের কেন্দ্রীয় পরীক্ষাও শুরু হয়েছে। অথচ এখনো হাইয়াতুল উলইয়ার কোনো চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হয়নি।
অনেকে বলছেন, হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান নির্ধারণে আলেমদের মতামত নেওয়া উচিত। এদিকে হাইয়াতুল উলইয়ার আইন অনুযায়ী অন্য বোর্ডগুলোতে যোগ্যতম কেউ থাকলেও দায়িত্বে আসার সুযোগ নেই। যত অযোগ্যই হোক না কেন এ পদের অধিকারী বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকেই আসতে হবে।
এটাই হাইয়া সদস্যদের তৈরী করা আইন। তবে এ আইন তারাই আবার বসে পরবির্তনও করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন একজন হাইয়া সদস্য।
ময়মনসিংহের এক মাদরাসার হাদিসের উস্তাদ মাওলানা লাবীব আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন, বেফাক ও হাইআর প্রধান দায়িত্বশীল নির্বাচন করতে বা মনোনীত করতে তরুণ আলেমদের মতামত নেয়া যেতে পারে। তাছাড়া পুরনো পদ্ধতিতিতে সভাপতি নির্বাচণ না করে প্রতিটি মাদরাসা থেকে লিখিত বা ভোট পদ্ধতিতে নিয়ে মতামত যাচাই করে দায়িত্ব দিলে ভালো৷
অসচেতন মুরব্বী বা সাংগঠনিক জ্ঞান কম বা সময়ের দাবি উপলব্ধি করতে পারেন না এই জাতীয় ব্যক্তিকে দায়িত্ব না দেওয়া ভালো৷ বয়সে বুড়ো বা কাজে অক্ষম তাদেরকে সম্মানের সঙ্গে দূরে রাখা ভালো৷ যিনি সভাপতি হবেন তিনি ঢাকায় থাকবেন এবং অফিস করবেন প্রয়োজনে৷
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর একটি সূত্র বলছে, হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া তো অনেক দূরের বিষয়। সরাসরি বেফাকের নেতৃত্ব নিয়েই অনেক জলঘোলা হতে পারে। বেফাকের নেতৃত্ব ঠিক করতে পারলেই হাইয়া চেয়ারম্যান নির্ধারণ কোনো কঠিন বিষয় নয়।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন বেফাক কর্মী বলেছেন, বেফাক যদি তাদের উত্তরসূরী নির্ধারণে সময় ক্ষেপণ করে, গণ্ডগোল বাধায় তখন
হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ায় তারা নিজেদের সম্মান হারাবেন।


