পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাহমাতুল্লিল আলামিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘রহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্স’ হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনের অনুমতির জটিলতায় তা পণ্ড হয়ে গেছে। এর প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
আয়োজকরা জানান, প্রশাসনের মৌখিক আশ্বাসের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘রহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্স’ আয়োজন করা হয়েছিল। এজন্য আগেরদিন প্রয়োজনীয় সাজ-সজ্জাও করা হয়। এ অনুষ্ঠানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নতুন আমির মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অন্য নেতাদের উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তালাবদ্ধ দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠানে আগতরা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে সমবেত হন এবং তা সমাবেশে রূপ নেয়।
সেখানে বাদ জোহর অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহসচিব ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সরকার যদি মনে করে থাকে আল্লাহর রাসূলের বিরুদ্ধে অবস্থান করে সিরাতুন্নবী সা. কনফারেন্স বন্ধ করে দিয়ে তারা ভালো সময় পার করবে তা কশ্মিনকালেও হবে না।
তিনি বলেন, আমরা সংঘাত চাই না, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের কথাগুলো জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় হেফাজতের আমীরের মাহফিলকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ কথাগুলো জতির কাছে পৌছাতে যদি বাধা দেওয়া হয় তাহলে রাজপথে প্রতিবাদের আগুন জ্বলবে।
অনুষ্ঠানটির সভাপতি মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী বলেন, আমরা নিয়ম মেনেই সব আয়োজন করেছি। কিন্তু কেন আমাদের অনুষ্ঠানে এ বাধা এল তা জানিনা। অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে এ বিষয়টি আমাদের ও উপস্থিত জনতাদের বিপাকে ফেলছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে বায়তুল মোকাররমে এসে বিক্ষোভ করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মুফতি রাফি বিন মুনির, মুফতি এবিএম শরীফুল্লাহ প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলা হয়ে বায়তুল মোকারর উত্তর গেটে গিয়ে শেষ হয়।


