পোপকে বিশ্বশান্তির ফাতওয়া প্রদান

পোপকে বিশ্বশান্তির ফাতওয়া প্রদান

নিজস্ব প্রতিবদেক ●  পোপ ফ্রান্সিসের হাতে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী মানবকল্যাণে শান্তির ফাতওয়া তুলে দিয়েছেন। পোপ ফান্সিসও বিশ্বশান্তি নিয়ে কাজ করায় আল্লামা মাসঊদের কাজের সন্তোষপ্রকাশ করেন।

পোপফ্রান্সিসকে লক্ষ্য করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে পোপ জোরালো ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ বলেন, আমি পোপের সঙ্গে কথা বলেছি। সন্ত্রাসবাদবিরোধী ফতোয়া এবং আমার লেখা একটি বই তাকে উপহার দিয়েছি।

বৌদ্ধ ভিক্ষু প্রধান রোহিঙ্গারা যেন নিজ দেশে ফেরত যেতে পারে, সেজন্য পোপের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

খ্রিস্টান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরাও রোহিঙ্গাদের বিষয়ে একই ভাষায় কথা বলেন। প্রত্যেকে বক্তব্য দেওয়ার পরে পোপ তাদের একটি করে উপহার দেন।

পোপ ফ্রান্সিস বলেন, তাদের সহায়তা করে যাবো, যাতে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তারা স্বীকৃতি পায়।

শুক্রবার বিকালে কাকরাইলে আর্চবিশপের কার্যালয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১৬ জন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন পোপ ফ্রান্সিস। তিনি তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন।

পোপ এসময় রোহিঙ্গা শিশুদের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং বয়স্ক রোহিঙ্গাদের সান্ত্বনা দেন।

পোপের সঙ্গে আলাপ শেষে রোহিঙ্গা নাগরিক মোহাম্মদ নুরুল সেখানে বসে মোনাজাত করেন। এই মোনাজাতে পোপ ফ্রান্সিসও অংশগ্রহণ করেন।

নুরুল তার মোনাজাতে সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশে বলেন, আমার নাগরিকত্ব ও অধিকার নিয়ে যেন দেশে ফেরত যেতে পারি। সেটি কবুল করে নিও। আমাদের ওপর যে পরিমাণ নির্যাতন করেছে,সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করেছে, তার বিচার তুমি করো এবং রোহিঙ্গাদের শক্তি দান করো।

নুরুল আরও বলেন, সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের হায়াত দান করো।

এর আগে মুসলিম,খ্রিস্টান, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের নেতারা এবং সুশীল সমাজের পক্ষে প্রফেসর আনিসুজ্জামান রোহিঙ্গাদের বিষয়টি পোপের সামনে তুলে ধরেন এবং এ বিষয়ে তার সমর্থন চান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *