নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানী ঢাকায় যতোগুলো উড়ালসড়ক হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে ত্রুটিপূর্ণ মনে করা হয় মগবাজার-মৌচাক সড়কটি। এরআগে নকশার ত্রুটির কারণে প্রায় ৩৫টি পিলার পুননির্মাণ করতে হয়েছিল। এবার সেই উড়াল সড়কে নকশাবহির্ভূতভাবে সিঁড়ি বানানো হচ্ছে। এরআগে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ উড়ালসড়কে এ ধরনের সিঁড়ি বসানোর পর তা উচ্চ আদালতের নির্দেশে অপসারণ করতে হয়েছিল।
মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়ক বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানায়, এই উড়ালসড়কের ট্রাফিক সিগন্যাল থাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। মূলত তাদের জন্যই এই সিঁড়ি বানানো হচ্ছে। সিঁড়ির ওপরের অংশে থাকবে ট্রাফিক পুলিশ বক্স। এটা হবে মালিবাগে। আর মৌচাক মোড়ে খুঁটি গেড়ে আরেকটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স তৈরি করা হবে।
এলজিইডি সূত্র জানায়, উড়ালসড়কের মালিবাগ-মৌচাক অংশের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন। তারাই এই সিঁড়ি ও পুলিশ বক্স বানিয়ে দিচ্ছে। এর খরচ প্রকল্পের ব্যয় থেকে দেয়া হবে।
দেখা যায়, উড়ালসড়কের মালিবাগ অংশে সড়ক বিভাজকের ওপর চারটি লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে সিঁড়ি বানানো হয়েছে। সিঁড়িতে বেড়া দেওয়ার কাজও শেষ। সিঁড়ির ওপরের অংশে ছয় ফুট বাই পাঁচ ফুট স্টিলের পাত বসানো। এখানে পুলিশ বক্স বনানো হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকেরা। এজন্য বক্সের সামনের উড়ালসড়কের দেয়ালও কাটা হয়েছে। মৌচাক মোড়ে আরেকটি পুলিশ বক্স নির্মাণের জন্য নিচ থেকে চারটি কংক্রিটের খুঁটি ওঠানো হচ্ছে। তবে সেটি চারপাশে থেকে টিন দিয়ে ঘেরা। কোনো নির্মাণশ্রমিককে সেখানে দেখা যায়নি।
এ ব্যাপারে এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও এই প্রকল্পের পরিচালক সুশান্ত কুমার পাল বলেন, উড়ালসড়কের ওপর সিগন্যালে দায়িত্ব পালন করতে আসা ট্রাফিক পুলিশের সমস্যা হচ্ছিল। তাই শুধু তাদের যাতায়াতের জন্য এই সিঁড়ি বানানো হচ্ছে। এতে মূল উড়ালসড়কের কোনো সমস্যা হবে না। অন্য কোথাও আর সিঁড়ি নির্মাণ করা হবে না।


