পাথেয় রিপোর্ট ● আলেম মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের সভায় বক্তারা বলেছেন, মাদরাসা শিক্ষিতদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের ঈমানি চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে। স্বাধীনতা ও বাংলাদেশকে ধারণ করে এদেশে ওলামায়ে কেরামকে এগিয়ে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে এড়িয়ে চলার কোন সুযোগ নেই বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন।
এ দেশ বিনির্মাণে আলেমদেরও অবদান রয়েছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের একক কৃতিত্ব অন্যদের হাতে ছেড়ে দিয়ে এদেশে ইসলাম ও মানবতার সেবা করা সম্ভব নয়, তাই ওলামায়েকেরাম ও মাদরাসা শিক্ষিতদের মধ্যে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দেয়া সময়ের দাবি। টুপি, দাড়ি, পাঞ্জাবী মানেই রাজাকার নয়, অনেক উলামাযে কেরাম ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন। জাতির সামনে আলেম মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথাও তুলে ধরতে হবে। জাতীয় পাঠসূচিতে উলামায়ে কেরামের অবদান তুলে ধরা সমযের দাবি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর উপশহরস্থ লুগাতুল আরাবিয়া মাদরাসায় আলেম মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
শায়খুল হাদীস মাওলানা মঞ্জুরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক সবুজ সিলেটের বার্তা সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধ গবেষক আ ফ ম সাঈদ, লেখক ও গবেষক সৈয়দ মবনু, দারুল আজহার ক্যাডেট মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মনজুরে মওলা, লেখক মাওলানা মাহবুব সিরাজী, কওমি মিডিয়া ফোরামের সভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম, কওমি কণ্ঠের সম্পাদক মাওলানা এমদাদুল হক নোমানি, ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপ্যাল মাওলানা সদর উদ্দিন মাকনুন,
বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব মাওলানা তাহুরুল হক জকিগঞ্জী, উপন্যাসিক নিজাম উদ্দিন মিসবাহ, লেখক সৈয়দ আনোয়ার আব্দুল্লাহ, মুফতী শামসুল ইসলাম, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, লেখক মাওলানা তানজিল আমির, সাংবাদিক ইকবাল হাসান জাহিদ, মাওলানা নাঈমুল ইসলাম, হাফিজ মাওলানা মাসুম আহমদ, সাংবাদিক এহসান বিন মুজাহির, মাওলানা ইবাদ বিন সিদ্দিক, মাওলানা সাইফ রহমান, মাওলানা ইলিয়াস মাশহুদ, কবি হাম্মাদ তাহমিদ, মাওলানা কবির আহমদ খান, মাওলানা তুফায়েল আহমদ উসমানি প্রমুখ।


