পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আফগানিস্তানে কর্মরত নারীদের ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে তালেবান। তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, যতদিন না পরিস্থতি পুরোপুরি ঠিক হচ্ছে, ততোদিন নারীরা বাড়িতে থাকবেন। তাদের নিরাপত্তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই বন্দীদশা স্থায়ী না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জাবিউল্লাহ বলেছেন, ‘কর্মক্ষেত্রে যদি ইসলামিক আইন লঙ্ঘন না করা হয়, তা হলে নারীদের চাকরিতে তাদের আপত্তি নেই। আপাতত দেশের নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তালেবানরা নারীদের চাকরি করার বিরুদ্ধে না, তবে এর কিছু শর্ত রয়েছে।’ জাবিউল্লাহ আরো বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এখনো জানে না, নারীদের সাথে ঠিক কেমন আচরণ করতে হবে, কীভাবে কথা বলতে হবে। এবিষয়ে তাদের কোনো ধরণের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি।’
২০০১ সালের আগে তালেবানদের হাতে যখন আফগানিস্তানের শাসনক্ষমতা ছিলো, তখন অনেকটা গৃহবন্দী হয়েই থাকতে হয়েছিলো নারীদের। জীবিকা উপার্জন তো দূরের কথা, তালেবানের বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট ধরণের পর্দা ও মাহরাম পুরুষ সঙ্গী ছাড়া বাড়ির বাইরে নারীরা বেরই হতে পারতেনা। তাদের এই উগ্রতা বিশ্বব্যাপী ইসলাম ধর্মবেত্তাদের কাছে তালেবানকে সেকালে সমালোচিত করে তুলেছিলো।
এদিকে জাতিসংঘের মানবধিকার সংস্থার প্রধান মিশেল বাশলে বলছেন, নারীদের অধিকার মৌলিক একটি বিষয়। তালেবানরা কাবুল দখলের পর তাদের সাথে কী আচরণ করছে, তা বিশ্বের নজরে রয়েছে।


