জেনে নিন ফুসফুসে সমস্যার ৬ লক্ষণ

জেনে নিন ফুসফুসে সমস্যার ৬ লক্ষণ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : জীবনযাপনের অনেক অভ্যাস আপনাকে ফুসফুসের সমস্যায় ফেলতে পারে। মাঝেমধ্যে ঠান্ডা লাগা বা বুকে ব্যথার সমস্যা দেখা দিতে পারে অনেকের। কিন্তু এ ধরনের সমস্যা প্রায়ই হতে থাকলে তা মোটেই ভালো নয়। কারণ ফুসফুসের ক্যান্সার বা ব্রঙ্কাইটিসেরও প্রাথমিক লক্ষণ এগুলো।

অনেকে মনে করেন, কেবল বয়স্কদের ক্ষেত্রেই ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। এটি ভুল ধারণা। অসুখের জন্য নির্দিষ্ট বয়সের প্রয়োজন হয় না। তাই সাধারণ লক্ষণ দেখলেও সতর্ক হতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হবেন-

নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা

নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হলে বা নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় কষ্ট হলে তা মোটেও অবহেলা করবেন না। এ ধরনের সংকেত দেখা দিলে বুঝতে হবে আপনার ফুসফুসে কোনো সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় ফুসফুসের আশপাশে প্রদাহ সৃষ্টি হলে এমন হয়ে থাকে। তাই এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

প্রায়ই সর্দি-কাশি হলে

প্রায়ই সর্দি-কাশি হওয়া মোটেও ভালো কোনো লক্ষণ নয়। আপনার যদি ঘনঘন ঠান্ডা লাগে বা সর্দি-কাশি হতে থাকে তাহলে বুঝে নেবেন শরীরের ভেতরে কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, কাশি একবার হলে তা সহজে যেতে চায় না। এমন সমস্যার ভুক্তভোগী যদি আপনিও হন তবে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গলার আওয়াজে পরিবর্তন

হঠাৎ করেই যদি গলার আওয়াজে পরিবর্তন আসে তবে সতর্ক হোন। অনেকে হয়তো মনে করেন সর্দি-কাশি বা ঠান্ডা লাগার কারণে গলার স্বর বদলেছে। কিন্তু আপনার যদি দিনের পর দিন এভাবেই সমস্যা চলতে থাকে তবে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বুকে কফ জমলে

বুকে কফ জমলে তা কঠিন অবস্থারই প্রকাশ করে। কারণ এটি হতে পারে কঠিন নিউমোনিয়ার। এর ফলে হারাতে পারে ফুসফুসের কার্যকারিতা। তাই বুকে কফ জমলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সারাক্ষণ ক্লান্তি

খাবার খাচ্ছেন ঠিকভাবে, ঘুমও হচ্ছে সময়মতো কিন্তু ক্লান্তি যাচ্ছে না। এমনটা হলে এখনই সতর্ক হোন। সারক্ষণ ক্লান্তবোধ করা, অবসাদ ও উদ্বেগ সাধারণ কোনো সমস্যা নয়। যদি আমাদের ফুসফুস ঠিকভাবে কাজ না করে তবে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন যেতে পারে না। যে কারণে ক্লান্তি ভর করে। সেখান থেকেই আসে উদ্বেগ-অবসাদ।

কাঁধ ও পিঠে ব্যথা

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই কাঁধ ও পিঠে ব্যথা অনুভব করেন? এটি কিন্তু সাধারণ কোনো ক্লান্তির কারণে নয়। এর কারণ হলো, শরীরের এক অংশে সমস্যা হলে অন্য অংশেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ব্যথাকে চিকিত্‍সিবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘রেফার্ড পেইন’।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *