পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করার পর মুসলিম নেতারা শুক্রবার বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মূলত পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা আন্দোলন করছেন। সিএএ-এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল গোটা ভারতের মুসলিমরা। কিন্তু তাতে আমলই দেয়নি ভারত সরকার। এটিকে কেবল মুসলিমদের সমস্যা মনে করে উদাসীনতা দেখানো হয়েছে। দেখানো হয়েছে বৈষম্য।
জামায়াতে ইসলামী হিন্দ-এর সভাপতি সৈয়দ সাদাতুল্লাহ হুসাইনি, বলেছেন : ‘আমরা এখন সরকারকে অন্যান্য জনবিরোধী এবং সংবিধানবিরোধী আইন যেমন সিএএ-এনআরসির দিকে নজর দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আনন্দিত যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেষ পর্যন্ত কৃষকদের দাবি মেনে নিয়েছেন। এটা আগে করা হলে বহু লোকসান এড়ানো যেত।’
বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন বাতিল করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন জমিয়তে উলামা-ই-হিন্দের প্রধান আরশাদ মাদানি। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন : ‘সরকারের উচিত এখনই সিএএ প্রত্যাহার করা। আমরা কৃষকদের অভিনন্দন জানাই। তারা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য আন্দোলনের মতো কৃষক আন্দোলনকেও দমন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। কৃষকদের বিভক্ত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু তারা সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করে নিজেদের অবস্থানে অটল থেকেছেন।’
আরশাদ মাদনী বলেন, ‘আবারও সত্য সামনে এল। ন্যায়সঙ্গত উদ্দেশ্যে সততা ও ধৈর্যের সঙ্গে আন্দোলন চালালে একদিন সফলতা আসবেই।’
সিএএ আইন প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে আরশাদ মাদানী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে আমাদের দেশের কাঠামো গণতান্ত্রিক। এখন তার উচিত মুসলিমদের বিষয়ে যে আইন আনা হয়েছে তার প্রতি মনোযোগ দেয়া। কৃষি আইনের মতো সিএএও প্রত্যাহার করা উচিত।’
সূত্র : পুবের কলম


