পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে জামায়াতে ইসলামির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া কয়েকটি রায় কার্যকরও করা হয়। এই তালিকায় দলটির নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও আব্দুল কাদের মোল্লাও রয়েছেন।
এই দুই জামায়াত নেতার বিচার সঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কিছু ভালো কাজের মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করা একটি কাজ।
প্রধানমন্ত্রী দুটি কাজ ভুল করেছেন দাবি করে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এই বামপন্থী নেতা বলেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও আব্দুল কাদের মোল্লার বিচারকাজ সঠিক হয়নি। এ জন্য আপনার, প্রধানমন্ত্রী, যত দায়, তার চেয়ে বেশি দায়ী বিচারকরা।
ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, এনডিপির ‘রাজবন্দীর মুক্তি দাও’ প্রতিবাদ সভায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সাঈদী আমার প্রিয় নন। তার বিরুদ্ধে হুমায়ূন আহমেদের বাবাকে হত্যা করার অভিযোগ আনা হয়, তবে হুমায়ূনের মায়ের লেখা বইয়ে সাঈদী অভিযুক্ত নন।
সাঈদীর এখনো জেলে থাকাকে ‘খুবই খারাপ কাজ’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, একইভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। এটিও অন্যায়, ঠিক নয়। আলেম-ওলামা ও মামুনুল হক ছাড়া আটককৃতরা নির্দোষ। এখন আর আলেম সমাজ রাস্তায় নামেন না, নামলে আমিও তাদের সঙ্গে থাকব।
গত কয়েক বছরে লবিস্টের পেছনে সজীব ওয়াজেদ জয় ৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছেন বলে জনগণের মধ্যে প্রচলিত আছে। এর জবাব দিতে হবে সরকারকে। তা ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে মাসে ‘দেড় বিলিয়ন’ ডলার ভাতা দেওয়ার তথ্য সত্য কিনা, তাও পরিষ্কার করা উচিত, বলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
এনডিপি চেয়ারম্যান কে এম আবু তাহেরের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, কল্যাণ পার্টির মুহাম্মদ ইব্রাহিম, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ।


