পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পরিবেশ সুরক্ষা ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়নের অংশ হিসেবে সেন্ট মার্টিনে অভিযান পরিচালনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এ সময় ৫০টির বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দ্বীপের জেটিঘাটসহ সৈকতের পাড়ে গড়ে উঠা এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নাসিম আহমেদ এবং টেকনাফের ইউএনও পারভেজ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করে। এ ছাড়া একই দিন পশ্চিমপাড়া ও পূর্বপাড়ায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী হাকিম সাঈদা পারভীনের নেতৃত্বে আরেকটি দল।
এ বিষয়ে টেকনাফের ইউএনও পারভেজ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন করতে হবে। এরই অংশ হিসেবে সৈকতের পাড় ও বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকান, ফিশারিসহ ৫০টির বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, যাদেরকে উচ্ছেদ করা হয়েছে তাদের অন্য কোনো জায়গায় পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে সরকারের প্রবাল দ্বীপের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উচ্ছেদ এবং অন্যান্য সকল কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
অভিযান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সাঈদা পারভীন বলেন, তাদের পক্ষ থেকে ৫টি হোটেল ও দোকানদারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তারা সেন্টমার্টিন দ্বীপের সরকারি নির্দেশনা অমান্য করেছে।


