লাকসামে আগুনে ৩ দোকান পুড়ে ছাই

লাকসামে আগুনে ৩ দোকান পুড়ে ছাই

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভার গাজীমুড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

বুধবার (৯ মার্চ) বেলা ২টার দিকে পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দৌলতগঞ্জ গাজিমুড়া কামিল মাদরাসা-সংলগ্ন লাকসাম-মনোহরগঞ্জ সড়কের পাশে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন বেলা ২টার দিকে মাদরাসা-সংলগ্ন মাসুদ মিয়ার মুদি দোকানে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পাশের আরো দুটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে নিমিষের মধ্যে ওই দুটি দোকানও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসময় লাকসাম-মনোহরগঞ্জ সড়কে প্রায় দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

খবর পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এবং লাকসাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ওই সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ী মাসুদ মিয়ার মুদি দোকান, ইউছুফ মিয়া এবং ওহাব মিয়ার লেপ-তোষক ও ঝুটের দোকান পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা লাকসাম পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীমুড়া গ্রামের বাসিন্দা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের ফলে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীঘিটির চারপাড়ে লাকসাম পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সৌন্দর্য্যবর্ধন এবং ওয়াকওয়ের নির্মাণকাজ করছে। ফলে ২/৩ দিন আগে পাশের দীঘিটি সেচ দিয়ে পানিশূন্য করে ফেলা হয়েছে। এতে পানি সংকটে পড়েন দমকল বাহিনী। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর শাহজাহান মজুমদার ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের শান্ত্বনা দেন।

এই ব্যাপারে লাকসাম ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। পানি সংকটের কারণে দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *