কারা হচ্ছেন ভারতের চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী?

কারা হচ্ছেন ভারতের চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী?

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : শেষ হয়েছে ভারতের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে পাঞ্জাবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি (আপ) বিজয়ী হলেও বাকি চার রাজ্যে নিজেদের দখল নিয়েছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। যেখানে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর মসনদে বসা প্রায় নিশ্চিত। অন্য তিন রাজ্য উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে কারা হচ্ছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী, তা ঠিক করতেই মঙ্গলবার রাতে বৈঠকে বসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বিজেপির দলীয় সূত্র ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, আসছে হোলি পূর্ণিমা ঘিরেই জয় পাওয়া চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নাম ঘোষণার প্রাথমিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, দলের সভাপতি জে পি নড্ডা, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি এল সন্তোষ উপস্থিত ছিলেন।

মণিপুর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহ ও বিশ্বজিৎ সিংহের মধ্যে ক্ষমতা দখল নিয়ে টানাপড়েন তুঙ্গে। জানা গেছে, নিজের ক্ষমতা প্রদর্শনে ভোটের ফলাফলের পরে জয়ী বিধায়কদের নিয়ে চা-চক্রের আয়োজন করেছিলেন বীরেন। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন বিশ্বজিৎ। তার দাবি, জয়ী বিধায়কদের মাত্র ৯ জন ওই চা-চক্রে যোগ দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে বীরেন শিবির বলছে, ওই চা-চক্রে অন্তত ২৬ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। যদিও এরইমধ্যে দুপক্ষকেই দিল্লিতে তলব করেছে বিজেপি। বুধবার (১৬ মার্চ) দিল্লিতে যাওয়ার কথা যোগী আদিত্যনাথেরও।

এদিকে গোয়ায় মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ন্তকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন বিজেপি আরেক বিশ্বজিৎ। দলীয় সূত্র বলছে, রাজ্যের ভালপোই কেন্দ্র থেকে জয় নিয়ে আসা বিশ্বজিৎ রাণে এ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে। অন্যদিকে নিজের কেন্দ্রে মাত্র এক হাজার ভোটে জিতে আসা প্রমোদের আধিপত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে দল।

উত্তরাখণ্ডে নিজের আসনে হেরেও মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে আছেন পুষ্কর সিংহ ধামী। ধামী ছাড়াও ওই রাজ্যে সত্যপাল মহারাজ, ধন সিংহ রাওয়াত মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে রয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে একাধিক বিজেপি প্রার্থী নিজের আত্মীয়দের মনোনয়ন পাইয়ে দিতে তদবির করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ধোপে টেকেনি।

এ নিয়ে বৈঠকে মোদী বলেছেন, পরিবারের সদস্যদের কাউকে টিকিট না দেওয়ার জন্য অন্য কোনও দলীয় নেতাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। কারণ ওই সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছিলাম। যদি তা পাপ হয়, তা হলে সেই পাপ আমার। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলাম।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *