পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : অস্ট্রেলিয়া ১৬ ও এর বেশি বয়সীদের ৮০ শতাংশ মানুষকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এখন বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষকে টিকা দেওয়া দেশগুলোর কাতারে সামিল হওয়ার পথে চলে এল অস্ট্রেলিয়া।
কোভিড সংক্রমণ সামাল দেওয়ায় এক সময় সফলতা অর্জন করা অস্ট্রেলিয়া পরবর্তীতে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনে নাজেহাল হয়ে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভাইরাসের সঙ্গেই বসবাস করতে শুরু করেছে।
অস্ট্রেলিয়ায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ে টিকা নেওয়া মানুষের ইচ্ছাধীন হলেও দেশটির বিভিন্ন রাজ্য এবং অঞ্চলে বহু পেশার মানুষ এবং কর্মীদের জন্য টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক। টিকা না নেওয়া মানুষদেরকে এসব জায়গায় কোনও কনসার্টে অংশ নিতে দেওয়া কিংবা বাইরে খেতে দেওয়া হয় না।
এদিকে মহামারীর মধ্যে গত সোমবার অস্ট্রেলিয়া প্রথম আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলেছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা তোলা হয়েছে কেবল টিকা নেওয়া মানুষদের জন্য এবং ওইসব দেশের জন্য যেখানকার বেশিরভাগ মানুষ টিকা নিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় গত কয়েকমাসে প্রায়ই টিকার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হতে দেখা গেছে এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে এসব বিক্ষোভে সহিংসতাও হয়েছে। তবে টিকা বিরোধী বিক্ষোভ ব্যাপক মাত্র পায়নি। জরিপে দেখা গেছে, দেশজুড়ে টিকা বিরোধীদের সংখ্যা এক অঙ্কেই রয়েছে।
তাছাড়া, দেশটির সব জায়গায় মানুষের টিকা দেওয়ার হারও সমান নয়। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে জনবহুল নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ পুর্ণডোজ টিকা নিয়েছে। রাজধানী ক্যানবেরায় টিকা নিয়েছে প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ। আবার নর্দান টেরিটোরি এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ায় মাত্র ৬৫ শতাংশ মানুষ টিকা নিয়েছে।
শনিবার অস্ট্রেলিয়ায় ১,৫৫৮ জনের কোভিড শনাক্ত হয়েছে এবং তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বেশির ভাগ মানুষই আক্রান্ত হয়েছে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে। অন্যদিকে, নর্দান টেরিটোরির কিছু অংশে সংক্রমণ বাড়ায় তিনদিনের লকডাউন জারি আছে।


