আওয়ামী লীগ করলেই যা ইচ্ছা তা করা যায় না : কৃষিমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ করলেই যা ইচ্ছা তা করা যায় না : কৃষিমন্ত্রী

পাথেয় রিপোর্ট : কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আওয়ামী লীগ করলে যা ইচ্ছা তা করা যায় না। আওয়ামী লীগ করতে লাগে নীতি, আদর্শ এবং জনগণের জন্য ত্যাগ স্বীকার।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর রুনি মিলনায়তনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে মোট ২১টি অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন নম্বর হচ্ছে দুর্নীতি নির্মূল করা। বঙ্গবন্ধু কন্যা নীতি ও আদর্শের সাথে আপোষ করেন না। দেশের জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে তিনি এ অঙ্গীকার করেছেন, সেখানে কোনো আপোষ নয়।

তিনি বলেন, ন্যায় ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তিনি (শেখ হাসিনা) চলমান অভিযান অব্যাহত রাখবেন। এভাবেই বাংলাদেশ ২০৪১ সালের আগেই উন্নত বাংলাদেশের মর্যাদা লাভ করবে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দলের সকলকেই মনে রাখতে হবে, একজন শেখ হাসিনাকে ঘিরেই দেশের কোটি কোটি মানুষ এখনো স্বপ্ন দেখে। কারণ, তিনি তাদের একটি পরিচয় দিয়েছেন। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সাথে প্রতিটি মানুষকে দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ, মেধা ও মননেও সমৃদ্ধ হতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করতে হবে, তবেই উন্নত দেশের পাশাপাশি আমরা উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারব।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, এক সময়ের কথিত ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশকে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতে হয়েছে। শেখ হাসিনার কল্যাণমুখী নেতৃত্বে সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলেছে। দীর্ঘ ২১ বছর পর ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে খাদ্য ঘাটতির দেশকে করেছেন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, পেয়েছেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এখন স্বপ্ন দেখাচ্ছেন উন্নত বাংলাদেশের।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতুর অর্থায়ন নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে। সেই বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে বাংলাদেশের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেছেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কিভাবে করতে হয় তা বাংলাদেশ থেকে শিখতে পার।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বাহাদুর ব্যাপারী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ড. মো. দেলোয়ার হোসেন ও সিলেট মেডিকেল কলেজের উপপরিচালক ফাহিমা আক্তার মনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *