আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে দিলো ইরান

আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে দিলো ইরান

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠা সত্ত্বেও যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ভালো করেই জানে, এ ধরনের সংঘাতে লাভবান হতে পারবে না ওয়াশিংটন।

আয়াতুল্লাহ আল খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনে সুস্থ মানুষ নেই। এরা কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা বা চুক্তি মেনে চলার ধার ধারে না। এদের সঙ্গে আলোচনার অর্থ হবে বিষপান করা। তাদের মোকাবিলায় প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানি জনগণ।

ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর একের পর এক তেহরান-বিরোধী পদক্ষেপে ব্যস্ত ট্রাম্প প্রশাসন। সবশেষ পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরী মোতায়েনকে কেন্দ্র করে দেশ দুটির মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম উত্তেজনা। এমন সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে দিলেন ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতা।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে ইরানকে মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যে ১ লাখ ২০ হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনার খবরকেও ‘ভুয়া’ বলে নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমি মনে করি, এটা ‘ফেইক নিউজ’। অবশ্যই আমরা এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারি। তবে এখনই এ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করছি না। আশা করি, এ ধরনের পরিকল্পনা আমাদের নিতে হবে না। যদি নিতেই হয়, তাহলে বহু সেনাসদস্য পাঠানো হবে। যার সংখ্যা এই মুহূর্তে বলা কঠিন।

ওদিকে, তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধে জাড়ানোর কোনো ইচ্ছে ওয়াশিংটনের নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। রাশিয়ার সোচিতে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠকে পম্পেও বলেন, মার্কিন স্বার্থে আঘাত আসলে উপযুক্ত জবাব দেবে ওয়াশিংটন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে চাচ্ছি না। তবে তেহরানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, মার্কিন স্বার্থে আঘাত আসলে ওয়াশিংটন এর উপযুক্ত জবাব দেবে। দেশটির নেতাদের কাছ থেকে আমরা স্বাভাবিক আচরণ আশা করছি। তারা হিজবুল্লাহসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সহযোগিতার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *