পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইন্তেকালের পর সন্ত্রাসীর কালো তালিকায় নাম ঢুকলো বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, স্কলার শায়খ ইউসুফ আল কারজাভির। গত সোমবার কায়রোর ফৌজদারি আদালত সন্ত্রাসীদের যে তালিকা প্রকাশ করে, তাতে ইউসুফ কারজাভিসহ ২৭৭ জন মুসলিম ব্রাদারহুড সদস্যের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। খবর মিডলইস্টমনিটর।
ওই তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য অন্য ব্যক্তিরা হলেন- মুসলিম ব্রাদারহুডের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাহবান মাহমুদ ইজ্জত, ব্রাদারহুডের নেতা জামাল হাশমতের ছেলে মোহাম্মদ জামাল হাশমত, ডেপুটি রাহবার ইব্রাহিম মুনির আহমেদ মুস্তফা এবং শায়খ ইউসুফ আল কারজাভির মেয়ে ওলা ইউসুফ আল কারজাভি।
এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ মুসলিম স্কলারসের (আইইউএমএস) সাবেক প্রধান ইউসুফ আল কারজাভি শীর্ষস্থানীয় একজন ইসলামিক ব্যক্তিত্ব হলেও রাষ্ট্রীয় রোষানলে পড়ে যান। ২০১১ সালের জেল ভাঙার সাথে সম্পর্কিত একটি মামলায় অন্যান্য মুসলিম ব্রাদারহুড সদস্যদের সাথে আল কারজাভিকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ২০১৫ সালে তার অনুপস্থিতিতেই তাকে অন্য আরো অনেকের সাথে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
এ কারণে কারজাভি আমৃত্যু আর কখনোই মিশরে ফিরেননি। বরং তিনি কাতারেই অবস্থান করতে থাকেন এবং গত ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি কাতারেই ইন্তেকাল করেন। জীবদ্দশাতে তিনি ইসলামী ফিকাহ ও জীবন ব্যবস্থা নিয়ে যেমন অনেকগুলো গ্রন্থ রচনা করেন, তেমনি বিশ্বজুড়ে ফিকহী অনেকগুলো সংস্থার সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন। এছাড়া আলজাজিরায় তিনি নিয়মিত একটি অনুষ্ঠান পরিচালনা করতেন।
ইন্তেকালের পর তার জানাজায় অংশ নিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ইসলামী নেতৃবৃন্দ ছুটে আসেন। আবার বিভিন্ন স্থানে তার গায়েবানা জানাযাও আদায় করা হয়।


