পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার একটি বিমান। যাত্রাীবাহী এই বিমানের ১৮৮ জন যাত্রীর ভাগ্যে কী ঘটেছে এখনও তথ্য পাওয়া যায়নি। জাকার্তা বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিটের মধ্যেই ১৮৮ আরোহী নিয়ে সাগরে বিধ্বস্ত হয় ইন্দোনেশিয়ার যাত্রীবাহী এটি বিমানটি।
দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধার বিভাগের মুখপাত্র ইউসুফ লতিফ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত বিমান যাত্রীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে জাকার্তা থেকে উড্ডয়ন করা ৭৩৭ বোয়িং বিমানটি এক ঘণ্টা পর ৭টা ২০ মিনিটে পাংকাল মিনাং বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল। এরপর তথ্য পাওয়া যায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
কিন্তু উড্ডয়নের ১৩ মিনিট পর থেকে এটির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই এটি জাকার্তা উপকূলে বিধ্বস্ত হয়।
প্রসঙ্গত, বিশ্বজুড়ে বেড়েছে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা। উল্লেখ করার মতো বিষয় যে, বিমান বিধ্বস্ত হলে সাধারণত কেউ বাঁচেন না। বাঁচলেও জীবন নিয়ে চলা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। অবহেলা আর অসেচনতার কারণে বিশ্বে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা বেড়েই চলেছে।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ রুশ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৭১ আরোহীর সবাই নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। একাত্তর জন জন আরোহী সহ একটি রুশ বিমান মস্কোর একটি বিমান বন্দর থেকে ওড়ার কিছু পরেই বিধ্বস্ত হয়েছে।
বিমানটি মস্কো থেকে কাজাখস্তান সীমান্তবর্তী রুশ শহর ওরস্কে যাচ্ছিল । আরোহীরা কেউ বেঁচে নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইরানে ৬৬ আরোহী নিয়ে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ জন যাত্রী আর বাকি ছয়জন ক্রু। জাতীয় জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র মুজতবা খালিদির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইরানের ইস্পাহান প্রদেশের সামিরান শহরের পাহাড়ি এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রবিবার দক্ষিণ সুদানে একটি যাত্রীবাহী বিমান নদীতে ভূপাতিত হয়ে বিধ্বস্ত হলে নিহত হয় অন্তত ১৯ জন যাত্রী। বিমানের কো-পাইলট এবং এক শিশুসহ মোট তিন যাত্রীকে দূর্ঘটনাস্থল থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
০১ আগস্ট ২০১৮ মেক্সিকোয় বিমান বিধ্বস্ত, আহত হয় ৮৫ জন। প্রদেশটির গভর্নর হোসে আইসপুরো একই টুইটে জানিয়েছেন, আরোহী ১০১ জনের মধ্যে কেউই মারা যাননি। তবে ৮৫ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর বিবিসির
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রাশিয়ার বিমান সংস্থাগুলোর বিমান আরও দুটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে কৃষ্ণসাগরে বিধ্বস্ত হয় একটি বিমান, মারা যায় ৯২ জন।
২০১৫ সালের অক্টোবরে মিশরের সাইনাই এলাকায় বিধ্বস্ত হয় আরেকটি বিমান, যাতে মারা যায় ২২৪ জন। তবে সেই ঘটনায় ইসলামিক স্টেট বোমা পেতে রেখে মাঝ আাকাশে এটি উড়িয়ে দিয়েছিল বলে দাবি করেছিল।


