পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কক্সবাজারে পাঁচ লাখ পিস ইয়াবা জব্দের ঘটনায় মামলায় ফের আট জনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আদালতে আসামির উপস্থিতিতে কক্সবাজার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার গহিরা এলাকার মো. কালু প্রকাশ (কালু মাঝি), মো. রফিক, মো. রফিক, হাসমত আলী, মো. হাসান, মো. নুরুল আলম আনোয়ারী, মোহাম্মদ মুজিবুল ইসলাম ও মো. নাসির।
আসামিদের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন- অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ, অ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দিন রাজু ও অ্যাডভোকেট রাসীব আহমদ।
মামলার নথির বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, ২০১৮ সালে বঙ্গোপসাগরে কলাতলী পশ্চিমে গভীর সাগর এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচ লাখ ইয়াবাসহ আট জনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় কক্সবাজারসদর থানায় মামলার পর স্বাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণ হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।
এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ থেকে আট লাখ ইয়াবা উদ্ধার মামলায় তিন রোহিঙ্গাসহ চার আসামির ১৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর পাশাপাশি প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে নগদ অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
৩০ জানুয়ারির ইয়াবা পাচার মামলায় মিয়ানমারের আট নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিশাত সুলতানা। রায়ে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।
একইভাবে ২৪ জানুয়ারি আরেক ইয়াবা পাচার মামলায় মিয়ানমারের তিন নাগরিককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। এসময় প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।


