ঈদুল ফিতরে টানা ১০ দিনের ছুটি যেভাবে মিলবে

ঈদুল ফিতরে টানা ১০ দিনের ছুটি যেভাবে মিলবে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশ্বের মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর অনাবিল আনন্দ ও উল্লাসের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। ‘ঈদ’ মুসলিম উম্মাহর জাতীয় উৎসব হিসেবে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। ঈদুল ফিতরের দিন প্রতিটি মুসলমান নারী-পুরুষের জীবনে অশেষ তাৎপর্য ও মহিমায় অনন্য হয়ে ওঠে।

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান মাস-এর সিয়াম সাধনার সমাপ্তিতে শাওয়ালের একফালি চাঁদ নিয়ে আসে আনন্দের বার্তা। দীর্ঘ এক মাস আত্মসংযম, ইবাদত ও ত্যাগের সাধনার পর ঈদের দিন মুসলমানদের জীবনে ফিরে আসে প্রশান্তি, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।

তবে ঈদুল ফিতরের তারিখ জানার আগ্রহের পাশাপাশি ছুটি কবে থেকে শুরু, সেই হিসাব-নিকাশও করতে থাকেন প্রায় সবাই। কারণ, ঈদের ছুটিতে স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন মানুষ। যাঁরা দূরদূরান্তে থাকেন, ছুটিতে তাঁরা ছুটে যান প্রিয়জনদের কাছে।

বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মোট ৫ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকবে। এর পরপরই ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মাঝখানের ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের ছুটি ম্যানেজ করতে পারলেই ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের দীর্ঘ অবকাশ কাটানো সম্ভব হবে।

১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবে কদরের ছুটি থাকবে (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)। ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ কর্মদিবস। ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ঈদ ছুটি থাকবে।

২৪ ও ২৫ মার্চ সাধারণ কর্মদিবস হলেও নৈমিত্তিক ছুটি নিলে তা ছুটির সঙ্গে যুক্ত করা যাবে। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ বিরতির সুযোগ তৈরি হবে।

বেসরকারি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে সাধারণত তিন থেকে চার দিনের ঈদ ছুটি দেওয়া হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে ওভারটাইম সমন্বয় বা বিশেষ ব্যবস্থায় ছুটি কিছুটা বাড়ানো হয়।

Related Articles