একটু উন্নতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: উন্নতি অবনতির দোলাচলেই সময় কাটছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর। স্বাস্থ্যের অবস্থা আগের চেয়ে আরও উন্নতি হয়েছে। তবে নিউমোনিয়া সংক্রমণ থাকায় তাকে ঝুঁকিমুক্ত বলা যাচ্ছে না। এ কারণে তাকে এখনও হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গলব্যাথা কিছুটা কমলেও এখনও স্বাভাবিকভাবে কথা বলার মতো পরিস্থিতি হয়নি। এ জন্য তাকে ‘কণ্ঠ বিশ্রামে’ রাখা হয়েছে। তিনি কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও জিআর কোভিড-১৯ র্যাপিড ডট ব্লট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার।
তিনি জানান, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে কিডনি জটিলতার কারণে নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতে হয়। যে কারণে ডায়ালাইসিস নেওয়া রোগীর জন্য নিউমোনিয়া বড় ঝুঁকির। তার ফুসফুসের সংক্রমণ আছে। এজন্য তাকে নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও ডায়ালাইসিস রোগীর নিউমোনিয়ার পার্থক্য অনেক। তবে তার স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, এটা বলা যায়। তবে তাকে আরও বেশ কিছুদিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। তিনি মানসিকভাবে অনেক উজ্জীবিত আছেন।
এদিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত র্যাপিড কিট পরীক্ষার ফলাফল সম্পর্কে ডা.মহিবুল্লাহ খন্দকার বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও বিএসএমএমইউ’র মধ্যে একটি ‘নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (এনডিএ)’ আছে। এখন পর্যন্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বিএসএমএমইউ থেকে কিট পরীক্ষার ফলাফল বিষয়ে কোনো তথ্য পায়নি ও এনডিএ অনুযায়ী কোনো আলোচনা হয়নি। এটি পেলেই স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে গণস্বাস্থ্যের মতামত বিএমএসইউইউকে জানানো হবে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, বিএসএমএমইউ’র মতামত অনুসারে কিট উৎপাদন ও বিপণন বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত দেওয়ার তা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেবে।


