এবার কৃষকদের ফল খাওয়ালো মাহমুদ মাদানীর জমিয়ত

এবার কৃষকদের ফল খাওয়ালো মাহমুদ মাদানীর জমিয়ত

এবার কৃষকদের ফল খাওয়ালো মাহমুদ মাদানীর জমিয়ত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : জমিয়তে উলামা হিন্দের সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানীর পক্ষ থেকে ভারতে সদ্য পাস হওয়া বিতর্কিত তিনটি কৃষি বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত কৃষকদের ফল খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জমিয়ত সেক্রটারী মুফতী হাকিমুদ্দীন কাসেমী সরাসরি কৃষকদের ফল খাওয়ানোর কাজ আঞ্জাম দেন বলে জানা গেছে একটি ভিডিও বার্তায়। এর আগে, কৃষক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুফতী হাকিমুদ্দীন কাসেমী বলেন, যারা আন্দোলন করছেন, যারা দিল্লী, মুফাফ্ফরনগর এসেছেন তারা আমাদের মেহমান। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি জমিয়তের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আমরা মাওলানা মাহমুদ মাদানীর পক্ষ থেকে কৃষক নেতার কাছে আন্দোলনে সংহতি ও আন্দোলনরতদের বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয়ে অবগতি করেছি।

জমিয়তে উলামা হিন্দের সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানী বলেন, আমরা সবাই এক, ঐকমত্য। আমাদেরকে কেউ বিভিন্ন করতে পারবে না।

এদিকে জমিয়তে উলামা হিন্দের সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানীর পুরো টিম কৃষকের পাশে পৌঁছে একাত্মতা প্রকাশ করে কৃষকের হাতে হাত রেখে আকাশের দিকে উঁচু করেন। কৃষকের দাবির পক্ষে তারা একমত পোষণ করেন। তখন দলের সেক্রেটারী মুফতী হাকিমুদ্দীন কাসেমী এ টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

এ সময় মুফতী হাকিমুদ্দীন কাসেমী বলেন, এক নয় লাখো লাখো ভারতীয় মুসলমান এই কৃষাণ ভাইদের সঙ্গে আছেন।

সোমবার দিল্লীর রিঙরোডে গিয়ে জমিয়ত নেতারা কৃষকদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

এদিন সকালে দিল্লির প্রাণকেন্দ্র রাজপথে, ইন্ডিয়া গেটের ঠিক সামনে একদল আন্দোলনকারী একটি ট্রাক্টর জ্বালিয়ে দিয়ে এই বিলগুলোর বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে এদিন অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং, প্রতিবাদ হয়েছে দক্ষিণের কর্নাটক বা তামিলনাডুতেও।

বস্তুত কৃষিখাতে সংস্কারের লক্ষ্যে আনা নতুন একগুচ্ছ বিলের বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন কৃষক সংগঠন একযোগে প্রতিবাদ শুরু করেছিল শুক্রবার থেকেই।

সেদিন বিক্ষোভকারীদের রাজধানীর সীমান্তে নয়ডাতে আটকে দেওয়া হলেও এদিন সকালে কিন্তু পাঞ্জাবের একদল যুব কংগ্রেস কর্মী কড়া নিরাপত্তার ফাঁক গলে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে হাজির হয়ে যান।

ট্রাকে করে তারা লুকিয়ে নিয়ে এসেছিলেন একটি ট্রাক্টর, সেটিকে রাজপথের ওপর নামিয়ে তারা আগুন ধরিয়ে দেন।

দিল্লি পুলিশ পরে বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করলেও এই নিরাপত্তার গাফিলতি কীভাবে হল সে প্রশ্নও উঠছে – কারণ ঘটনাস্থল থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বেই ভারতের পার্লামেন্ট ও রাষ্ট্রপতি ভবন।

আরও পড়ুন :

আন্দোলনরত কিষাণদের মুখে খাবার দিলেন মাহমুদ মাদানী

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *