এবার শান্তির ফাতওয়া ওআইসির মহাসচিবের হাতে

এবার শান্তির ফাতওয়া ওআইসির মহাসচিবের হাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক ● বাংলাদেশের শান্তির প্রতীক ও বিশেষজ্ঞ আলেম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদকে ক্লোন বানিয়ে সমগ্র বিশ্বে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন ওআইসির মহাসচিব আইয়াদ আমীন আল মাদানি। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশী একলাখ আলেমের স্বাক্ষরসম্বলিত মানবকল্যাণে শান্তির ফাতওয়া একটি মাইলফলক।
তিনি আল্লামা মাসঊদের এই সাহসি কর্মের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আলেমদের এই সংঘবদ্ধকাজকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন ওআইসি মহাসচিব।

মঙ্গলবার দুপুরে ওআইসি কার‌্যালয়ে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশান (Organization of the Islamic Cooperation) বা সংক্ষেপে ওআইসি একটি আন্তর্জাতিক ইসলামী সংস্থার মহাসচিব আইয়াদ আমীন আল মাদানির হাতে একলাখ আলেম, মুফতি ও ইমামের স্বাক্ষরসম্বলিত জঙ্গিবাদবিরোধী মানবকল্যাণে শান্তির ফাতওয়া তুলে দিতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা মাসঊদের সফরসঙ্গী ঢাকা জমিয়তুল উলামার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন এক ভিডিওবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

এছাড়াও সফরকারী বাংলাদেশেী আলেমদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তুল উলামার অভিভাবক পরিষদ সদস্য মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ, মাওলানা সাঈদ নিজামী এবং মাওলানা আবদুল আলীম ফরিদী।
উল্লেখ্য, আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার তত্ত্বাবধানে গেল বছরের জুনে একলাখ আলেম, মুফতি ও ইমামের স্বাক্ষরসম্বলিত জঙ্গিবাদবিরোধী মানবকল্যাণে শান্তির ফাতওয়া এমন একটি সময় প্রকাশ করা হয় যার কয়েক দিন পরই হলিআর্টিজান এবং ঈদের দিনে শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা করা হয়।

প্রসঙ্গত, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশান (Organization of the Islamic Cooperation) বা সংক্ষেপে ওআইসি একটি আন্তর্জাতিক ইসলামী সংস্থা ১৯৬৯ সালে এটি অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স নামে ২৫টি মুসলিম দেশ মিলে এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরী করে। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ৫৭টি ইসলামী রাষ্ট্র নিয়ে এই সংস্থা গঠিত। এই সংস্থা মূলতঃ মুসলমানদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। ওআইসি জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থা। ওআইসির একটি জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি দল রয়েছে, এবং বৃহত্তম রাষ্ট্রসংঘের বাইরে আন্তর্জাতিক সংগঠন। ওআইসির সরকারি ভাষা আরবি, ইংরেজি, এবং ফরাসি। এককথায় বলা যায় ওআইসি মুসলিম বিশ্বের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *