চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ● মঙ্গলবার বিকাল ৪টার পর থেকে বন্দরে পণ্য খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়। বন্দরের জেটিতে আগে থেকে নামানো পণ্য ডেলিভারির এ কার্যক্রম শুরু হলেও বহির্নোঙরে থাকা জাহাজগুলো জেটিতে না ফেরায় পণ্য ওঠানামা শুরু হয়নি। চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, ঝড় থামার পর বিকাল থেকে ডেলিভারির কাজ শুরু হয়েছে। জেটিতে এখনও কোনো জাহাজ বহির্নোঙর থেকে আসেনি। তাই জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা শুরু হয়নি।
এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোরা চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে এগিয়ে আসতে শুরু করলে সোমবার সকাল থেকে বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম ধাপে ধাপে বন্ধের পর সন্ধ্যায় সন্ধ্যায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারির পর সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর মধ্যেই ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বন্দরের জেটিতে থাকা মাদার ভেসেলগুলোকে বহির্নোঙরে সরিয়ে নেওয়া হয়।
বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, বুধবার সকাল ১০টায় জোয়ার শুরু হলে বহির্নোঙরে থাকা জাহাজগুলো বন্দরের জেটিতে ভিড়তে শুরু করবে। এরপরই জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামার কাজ শুরু হবে।
এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৪টা থেকে দিনের দ্বিতীয় জোয়ার শুরু হয়েছে। তা চলবে রাত ১০টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত। বন্দরের জেটি থেকে বহির্নোঙরে নিয়ে যাওয়া পণ্যবাহী বড় আকারের জাহাজগুলো ঝুঁকিমুক্তভাবে জেটিতে ভেড়াতেই বুধবার দিনের আলোয় জোয়ারের সময়টি বেছে নেয়া হয়েছে। সোমবার বন্দরের জেটিগুলোতে মোট ২৪টি মাদার ভেসেল (বড় আকারের পণ্যবাহী জাহাজ) ছিল। বন্দরের বহির্নোঙরে মাদার ভেসেল ও লাইটার (ছোট আকারের পণ্যবাহী জাহাজ) মিলিয়ে মোট ১২৭টি জাহাজ অবস্থান করছে। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, মঙ্গলবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৬৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় মোরা উপকূল অতিক্রম করার পর ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে।


