পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : চালের বাজারের অস্থিরতা কমাতে আরো কঠোর হচ্ছে সরকার। বাজার নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সারা দেশে অবৈধ মজুদবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। এবার অবৈধভাবে চাল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশে চালের অভাব নেই। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চালের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অবৈধ মজুদবিরোধী অভিযানের কারণে রাজধানীর পাইকারি বাজারে চালের দাম বস্তাপ্রতি অন্তত ১০০ টাকা কমেছে।
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন, ফুড গ্রেইন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নে জোর দিতে হবে। কেউ যেন লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা না করতে পারে, অবৈধ মজুদ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অবৈধ মজুদদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
বোরো ধান সংগ্রহ ও বাজার মনিটরিং-সংক্রান্ত বিষয়ে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনলাইন মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, একটি মহল খাদ্য ঘাটতির বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা নেই। মজুদদারির বিরুদ্ধে অভিযান চলছে—এ অভিযান আরো জোরালো হবে। তিনি আরো বলেন, বড় বড় করপোরেট হাউস ধান-চাল সংগ্রহ করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মিল না থাকলে তারা যেন এ ব্যবসায় যুক্ত না হতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে বাজারে নজরদারি বাড়াতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার অস্থির করতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে শুল্ক কমিয়ে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে।


