চূড়ান্ত প্রার্থীদরে প্রতীক বরাদ্দ সোমবার

চূড়ান্ত প্রার্থীদরে প্রতীক বরাদ্দ সোমবার

পাথেয় রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের আজ দেওয়া হবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে। এরপরই শুরু হবে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা নির্বাচনী প্রচারের উৎসবে মুখরিত হয়ে উঠবে সারা দেশের ৩০০ নির্বাচনী এলাকা। আজ সোমবার ০৯ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর প্রার্থী এবং তার সমর্থকরা নির্বাচনি এলাকায় প্রচার চালাতে পারবেন বলে জানান ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান।

প্রচারের সময় যাতে আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন না হয়, সে জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। পাশাপাশি রয়েছে ১২২টি নির্বাচনী তদন্ত কমিটি। এসব কমিটির কাছে নির্বাচনী অপরাধ ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জানাতে পারবেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

নির্বাচনি আচরণ বিধি অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রচার কাজ শুরু করতে হবে। আর এটা বন্ধ করতে হবে ভোটগ্রহণ শুরু ৩২ ঘণ্টা আগে। ২৮ ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত। সে হিসেবে এবার প্রার্থীরা ১৯ দিন প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

এছাড়া শেষ দিনে তিন শতাধিক প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। আর যেসব দলের একাধিক প্রার্থী ছিলেন, সেখানে একক প্রার্থী নিশ্চিত করায় ২৫৬ জনের প্রার্থিতা রহিত হয়। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে ২৭২ এবং বিএনপির ধানের শীষ নিয়ে ২৯৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৫৮ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। বাকি ৪২টি মহাজোটের শরিকদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে দলটি।

এদিকে ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপি ২৪১ জনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। এ ছাড়া ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের ৫৯টি আসনে ছাড় দিয়েছে দলটি।

নির্বাচনি পোস্টারের সাইজ দৈর্ঘ্যে ৬০ সেন্টিমিটার ও প্রস্থে ৪৫ সেন্টিমিটার এবং ব্যানার কোনোভাবেই তিন মিটারের বেশি হবে না। পোস্টার রঙিন করা যাবে না। পোস্টারে প্রার্থী ছাড়া দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করা যাবে। যা দড়িতে ঝুঁলিয়ে প্রচার করতে হবে। ৪০০ বর্গফুট এলাকার বেশি বড় কোনও প্যান্ডেল করে প্রচার চালানো যাবে না। কাপড়ের তৈরি ব্যানার করে প্রচার চালানো গেলেও ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহার করা যাবে না। জনসাধারণের চলাচলের অসুবিধা হয়, এমন কোনও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবে হবে। প্রচারের অংশ হিসেবে যে কোনও প্রকার দেয়াল লিখন ও পোস্টার সাঁটানো দণ্ডনীয় অপরাধ।

মোটর সাইকেলসহ যেকোনও মোটরগাড়িতে করে মিছিল, মশাল মিছিল বা শোভাযাত্রা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনও প্রকার বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জা করা যাবে না। নির্বাচনি প্রচারণায় প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণীর ব্যবহার নিষিদ্ধ। প্রচারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অন্য কোনও প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনও ব্যক্তি সম্মানহানীকর কিছু করতে পারবে না। উসকানিমূলক কোনও বক্তব্যও দেওয়া যাবে না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *