জামাই আদরে হজযাত্রীদের হজ করাতে চান প্রতিমন্ত্রী

জামাই আদরে হজযাত্রীদের হজ করাতে চান প্রতিমন্ত্রী

পাথেয় রিপোর্ট : বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জামাই আদর দিয়ে পবিত্র হজ পালন করাতে চান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহ।

আগামী বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজিরা যেন জামাই আদরে হজ সম্পন্ন করতে পারেন সে ব্যবস্থা করবেন। এ ব্যাপারে সৌদি সরকারও বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন (হাব) ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার পাশাপাশি সৌদি সরকারের সর্বাত্মক সহায়তায় এ বছর সুষ্ঠুভাবে হজ সম্পন্ন হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারই হজ ব্যবস্থাপনায় সফলতা লাভ করায় আগামী বছর হজ আরও সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পালনের আয়োজন করতে অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চলতি বছর সফল হজ ব্যবস্থাপনার সমাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১০ আগস্ট এ বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সালে সরকারি ব্যবস্থানায় ৬ হাজার ৯২৩ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজারসহ ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছিলেন। কোনো বিড়ম্বনা ছাড়াই ভিসা পান সবাই।

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, ‘হাজিরা আল্লাহর মেহমান, তাদের চোখে আমি পানি দেখতে চাই না, কোন হাজিকে যেন এহরাম পরে রাস্তাঘাটে ঘুরতে না হয়’। আলহামদুলিল্লাহ, এ বছর কোন হাজিকে হজে যেতে না পেরে রাস্তাঘাটে এহরাম পরা অবস্থায় ঘুরতে দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, হজ চুক্তি অনুসারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স যৌথভাবে বাংলাদেশের সব হজযাত্রী পরিবহন করেছে। এ বছর বাংলাদেশ বিমান এবং সাউদিয়ার কোনো ফ্লাইট বাতিল হয়নি।

এ বছর ৪ জুলাই হজের ফ্লাইট শুরু হয়। ৫ আগস্ট পর্যন্ত হজের ফ্লাইট পরিচালিত হয়। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ১৭ আগস্ট এবং ফিরতি ফ্লাইট শেষ হয় ১৫ সেপ্টেম্বর। এ বছর হজ করতে গিয়ে ১১৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা যান। মৃত হজযাত্রীদের মধ্যে পুরুষ ১০১ ও নারী ১৭।

২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০০৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬ ২৮, ২০১৯ সালে গিয়ে তা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৫২। এ পরিসংখ্যান প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে ইসলামের অন্যতম বিধান পবিত্র হজ পালনের ব্যবস্থাপনাও অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *