তাড়াইলে আল্লাহর আশিকদের মিলনমেলা
মো জা হি দ আ লী
আশিকু সে কিয়া মজা হায়, মাশুকু সে পুচিয়ো। বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ও বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.) এর খলীফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ-এর আহ্বানে আয়োজিত কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের ঈসাপশর-বেলংকার ইসলাহী ইজতেমায় গেলে বোঝা যায় আশিকদের অবস্থা। আশিক-মাশুকের উজ্জ্বল এক দৃষ্টান্ত হাওরের এ গ্রামে চোখে পড়ে।
আল্লাহর আশিকদের মিলনমেলায় আমিও অংশ নিতে চাই। যারা আল্লাহর জন্য একত্র হয় আবার আল্লাহর জন্য বাড়িতে যায়। ইসলাহী ইজতেমার বয়ান সত্যই দিলের পরিবর্তন আসে। ইসলাহী ইজতেমায় হযরতের কান্না বিজরিত দোয়া আমার পাথরের মত হৃদয়কে বিগলিত করে দেয়।
আল্লাহর মেহেরবানীতে এবারও ১৯, ২০, ২১ ফেব্রুয়ারি বেলংকার ইসলাহী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। ইজতেমার বিভিন্ন পর্বে ইসলাহী বয়ান, আম বয়ান, বিশেষ বয়ান, কোরআন তালিম ও তেলাওয়াত, জিকির ও দরুদের আমলসহ ধারাবাহিক আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবেন আগত মুসল্লিরা। আমি মিলিত হতে চাই আকাবিরের এই মিছিলে। এই জিকির আজকারে। দরূদের পাঠচক্রে। আল্লাহ তাআলা আমাকে ও সবাইকে সেখানে যাওয়া তাওফিক দিন।
আমি প্রথম যখন তাড়াইলে যাই সেই স্মৃতি ভেঙে আমি কাতর হই। তাড়াইল ইসলাহী ইজতেমায় আমি ও আবুল কাশেম ভাই হবিগঞ্জ ইকরা বাংলাদেশ-এর শিক্ষা সচিব মুফতি আনোয়ার আমিরের সঙ্গে ২০১৫ সালে যাই।
বেলঙ্কা থেকে আরও ভেতরে একবার হবিগঞ্জ ইকরা বাংলাদেশ-এর প্রিন্সিপাল মাওলানা মাসউদুল কাদির ভাই একটা গ্রামে নিয়ে গেলেন, যেই গ্রামের নাম রশিদনগর। আমি বিস্মিত হলাম। দেখলাম ও জানতে পারলাম, এখানকার সবাই তাবলীগের সাথী। তিনচিল্লার সাথী। একটা গুচ্ছ গ্রাম প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.) এর খলীফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ দামাত বারাকাতুহুম।
আল্লাহ তাআলার কত মেহেরবানী। এটিকে চিল্লাগ্রাম বললেও অত্যুক্তি হবে না। এবারও আল্লাহ তাওফিক দিন সেই আলোকিত মানুষের দরবারে পৌঁছার। আমীন।
লেখক : প্রিন্সিপাল, জামিআ মোতাহারিয়া নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ


