পাথেয় রিপোর্ট : ‘বাংলাদেশে দুর্নীতি আরও বেড়েছে’ দুর্নীতিতে শীর্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ১৩তম। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর এমন রিপোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
২৯ জানুয়ারি, মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দেয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দুদক চেয়ারম্যান এসব মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, টিআই এর লোকাল শাখার কাছে আমরা ব্যাখ্যা চাই যে, কীভাবে এবং কী কী কারণে দুর্নীতি বেড়েছে। ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগার না দিলে সেই রিপোর্ট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উই ওয়ান্ট টু স্পেসিফিকেশন। মুখের কথায় নম্বর করা যায় না।
তিনি আরও বলেন, ‘দুদকের স্বাধীনতা খর্ব করার মতো কোনো আইন সংসদে হয়নি। টিআই আমাদের প্রতিপক্ষ নয়, আমরাও টিআই-এর প্রতিপক্ষ নই’। এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সারা বিশ্বে অর্থপাচারের বিষয় আছে। আমরা দুর্নীতি বন্ধ করতে পারবো না, কমাতে পারবো।’
এদিন সকালে রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় বাংলাদেশে দুর্নীতি আরও বেড়েছে।
জার্মানির বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) প্রকাশ করা দুর্নীতির ধারণাসূচক ২০১৮-এর প্রতিবেদনে চার ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের। সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ১৩তম অবস্থানে উঠেছে বাংলাদেশ, যার স্কোর ২৬।
সংস্থাটির ২০১৮ সালে প্রকাশিত তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭তম। স্কোর ছিল ২৮। তার আগের বছর ২০১৬ সালে অবস্থান ছিল ১৫তম। এ এলাকায় দুর্নীতির দিক থেকে আফগানিস্তানের পরই রয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের স্কোর ৪১, তালিকায় অবস্থান ৭৮। পাকিস্তানের স্কোর ৩৩, তালিকায় অবস্থান ১১৭ নম্বরে।


