পদ্মায় ফেরি চলাচল বিঘ্ন অপেক্ষায় হাজারও যান

পদ্মায় ফেরি চলাচল বিঘ্ন অপেক্ষায় হাজারও যান

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফুঁসে ওঠা পদ্মার বুক চিড়ে দূরন্ত গতিতে ছুটে চলা তীব্র স্রোত। এ কারণে প্রতিটি ফেরির দুই ঘণ্টার স্থলে সময় লাগছে চার ঘণ্টা। এই নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করতো। বর্তমানে তিনটি ফেরি বিকল থাকায় ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। ফলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৩০টি রুটের যানবাহন পারাপারে চরম বিঘ্ন ঘটছে। উভয় তীরে পন্যবাহী যানবাহন ছাড়াও শ শ যাত্রীবাহী বাস পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। উজানের পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পদ্মায় ¯্রােতের তীব্রতাও বেড়েছে। এ কারণে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে স্বাভাবিক ফেরি চলাচল করাতে পারছে না। গত কয়েকদিন ধরেই এমন পরিস্থিতি চলে আসছে। আর এত হাজারো যাত্রীকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।

এদিকে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে ৩০ কি.মি. দীর্ঘ যানজটে হাজারো যানবাহন আটকা পড়ে। মহাসড়কের সোনারগাঁওয়ের মদনপুর থেকে দাউদকান্দি পর্যন্ত ৩০ কি.মি. দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় গতকাল শুক্রবার ভোর থেকেই।  যানজটে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলতে পারছে না বলেই এ যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ যানজট নিরসনের জন্য চেষ্টা চালিয়েও স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চলাচল ব্যবস্থা করতে পারছে না। প্রায় প্রতি শুক্রবারেই এ মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় বিধায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

শুক্রবার সকাল থেকে তীব্র স্রোতে ও ডুবোচর ফেরি চলাচলে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে আগের চাইতে সময়ও বেশি লাগছে। বৃহস্পতিবারও শিমুলিয়া প্রান্তে পারাপারের অপেক্ষায় চার শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে ছিল। মাওয়া বিআইডব্লিউটিসি কর্তারা জানান, তীব্র স্রোতের কারণে ফেরিগুলোর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। শিমুলিয়া ঘাট থেকে কাঠালবাড়ি যেতে পালের চর ঘুরে যেতে হয় তাই সময় লাগছে চার ঘণ্টা। যেখানে আগে সময় লাগতো দুই ঘণ্টা। বর্তমানে শিমুলিয়া প্রান্তে ট্রাক-যাত্রীবাহী গাড়িসহ সাত শতাধিক যানবাহন রয়েছে পারাপারের অপেক্ষায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *