পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর জিয়ানে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরটিতে কঠোর লকডাউন জারি করা হচ্ছে। এতে শহরটির এক কোটি ৩০ লাখ মানুষকে এখন ঘরবন্দী থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) থেকে শহরটিতে কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) জিয়ান শহরে ৫২ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত শহরটিতে ১৪৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।
চীন সরকারের সরকারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েইবোতে জিয়ান শহরের সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য প্রতি দুই দিনে একবার পরিবারের একজন সদস্যকে বাইরে পাঠাতে পারবে। এ ছাড়া জরুরি অবস্থা ছাড়া অন্য সকলকে বাড়ির ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জিয়ান শহরের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাসিন্দাদের প্রয়োজন না হলে শহর ছেড়ে যাওয়া উচিত নয়। আর বিশেষ পরিস্থিতিতে ছাড়তে হলে যথাযথ প্রমাণ দেখাতে হবে। এর আগে জিয়ান শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনার সংক্রমণ বাড়ায় শহরটির এক কোটি ৩০ লাখ মানুষের করোনা পরীক্ষা করানো হবে।
চীনের ফ্লাইট ট্র্যাকার ভ্যারিফ্লাইটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরের প্রধান বিমানবন্দর থেকে আসা এবং যাওয়া ৮৫ শতাংশের বেশি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। শহরের অভ্যন্তরে, বাস এবং ট্রেনগুলোতে যাত্রী কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শহরটির স্কুলও বন্ধ করা হয়েছে।
চীনের সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সুপারমার্কেট ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলি বাদ দিয়ে সমস্ত কম প্রয়োজনীয় ব্যবসাগুলোকে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার কোম্পানিগুলোকে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
শহরটিতে বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার মাত্র একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্তের পর চীনের গুয়াংজি অঞ্চলের ডংজিং শহরের ২০ লাখ মানুষকে গৃহবন্দী করা হয়েছে।
সূত্র : সিনহুয়া


