পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আগামীতে দেশে খাদ্য ঘাটতির সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বর্তমানে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ খাদ্যের মজুত রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে নওগাঁ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “যথেষ্ট মজুত থাকলেও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য চাল আমদানি বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “চলমান বোরো মৌসুমে সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৫৩১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে আগামী বুধবার পর্যন্ত সংগ্রহ অভিযান চলবে। এই অভিযানের শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।”
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, “ইতোমধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম আমদানির ব্যবস্থা হয়ে গেছে। চাল ও গমের মতো অন্যান্য খাদ্য মজুদের ক্ষেত্রেও ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য ওএমএস সেন্টারের সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বাড়ানো হয়েছে।” শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে খোলাবাজারে চাল বিক্রি শুরু করতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, “টিসিবি কার্ডধারীরা নিজেদের কার্ড দেখিয়ে ওএমএস কেন্দ্র থেকে চাল কিনতে পারবেন। আর অন্যান্যরা মাসে দুবার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি কার্ড) দেখিয়ে চাল কিনতে পারবেন।”
এছাড়া, কোনো ব্যক্তি যেন দুবারের বেশি চাল কিনতে না পারেন, সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করবে বলেও জানান খাদ্যমন্ত্রী।
ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালুর ফলে কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে চালের দাম সহনীয় মাত্রায় চলে আসবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।


