বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত দিন আশুরা

বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত দিন আশুরা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মহররমের দশ তারিখ আশুরা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আলোচিত দিন বলে মন্তব্য করেছেন উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় দীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভারতের ঐতিহ্যবাহী দারুল উলুম ওয়াকফ দেওবন্দের মুহতামিম মাওলানা মোহাম্মদ সুফিয়ান কাসিমী। তিনি বলেন, আশুরা শুধু উম্মতে মোহাম্মদীর জন্যই নয় বরং পূর্ববর্তী উম্মতের কাছেও একটি ফজিলতপূর্ণ ও আনন্দের দিন হিসাবে বিবেচিত হত আশুরার দিন।

মাওলানা সুফিয়ান কাসিমী বলেন, আসমান-জমিন সৃষ্টির সময় থেকেই মহররম মাস বিশেষভাবে সম্মানিত। মহররম মাস জাহিলী যুগে আশহুরে হারামের অন্তরভুক্ত ছিল। আর মহররমের দশ তারিখ আশুরার দিন পৃথিবীর আদিকাল থেকে অনেক স্মরণীয় ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আমরা জানি আশুরা দিন হযরত আদম আ. এর সৃষ্টি করা হয়েছিল। হযরত নূহ আ. এর জাহাজ তাঁর সাথীদের নিয়ে এইদিন নিরাপদে পর্বতে অবতরণ করেছিল। হযরত ইউসুফ আ.কে কুপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। হযরত আইয়ুব আ.কে রোগ থেকে শিফা দান করা হয়েছিল। হযরত ইউনুস আ. মাসের পেঠ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। হযরত ঈবরাহিম আ. নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। হাদীসে বর্ণিত আছে, আশুরার দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে।

২২ আগস্ট শনিবার ভারতে ডেইলি আখবারে মাশরিকে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় দারুল উলূম ওয়াকফ দেওবন্দের খতিবুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘ইজলাসে আম’ শিরনামে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে মাওলানা মোহাম্মদ সুফিয়ান কাসিমী এসব কথা বলেন।

সুফিয়ান কাসিমী বলেন, মুহররমের দশ তারিখ আশুরার দিন কারবালার ময়দানে হযরত হোসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাত কিয়ামত পর্যন্ত বিশ্বের মুসলমানদের হৃদয়কে ব্যথিত করবে এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। হোসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদতের ঘটনার মর্মাহত হওয়া ঈমানের দাবী।

অনুষ্ঠানে ইসলাম ধর্মের বিখ্যাত দায়ী মাওলানা কালিম সিদ্দিকী বলেন, পৃথিবীতে অনেক জায়গায় এখন মুসলমানরা লাঞ্ছিত অপদস্থ। কোথাও শান্তি নেই। তার কারণ হলো, মুসলমানরা ইবাদত বন্দেগী ছেড়ে দিয়ে দুনিয়ামুখী হয়ে গেছে। জাহিলী যুগেও মহররম মাস ইবাদতের মাস ছিল। ঝগড়া-ফাসাদ অন্যায় কাজে লিপ্ত হওয়া হারাম ছিল। মহররম মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা এবং বেশি বেশি ইবাদত করার কথা বলেন তিনি।

আমরা জানি আশুরা দিন হযরত আদম আ. এর সৃষ্টি করা হয়েছিল। হযরত নূহ আ. এর জাহাজ তাঁর সাথীদের নিয়ে এইদিন নিরাপদে পর্বতে অবতরণ করেছিল। হযরত ইউসুফ আ.কে কুপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। হযরত আইয়ুব আ.কে রোগ থেকে শিফা দান করা হয়েছিল। হযরত ইউনুস আ. মাসের পেঠ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। হযরত ঈবরাহিম আ. নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। হাদীসে বর্ণিত আছে, আশুরার দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে


অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আদিল মাহমুদ

সূত্র : ডেইলি আখবারে মাশরিকী, দিল্লি

সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *