বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জ সিদ্দিকুল্লাহর

বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জ সিদ্দিকুল্লাহর

বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জ সিদ্দিকুল্লাহর

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমের মানুষদের মাথা গরম করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন পশ্চিম বাংলার রাজ্য জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি ও গণগ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, বীরভূমের মঙ্গলকোটের মানুষ শান্তিপ্রিয়। তারা আমাকে ভালোবাসে। তাদেরকে উসকে দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি কাউকে গালাগালি করি না। কারও সঙ্গে আমার কোনো সংঘাত নেই। কিন্তু আমি যেখানে যাবো সেখানে তাদেরকে থ্রেড করবে, চোখ রাঙাবে তা বরদাশত করবো তা কীভাবেব ভাবছেন? এটা কখনোই হতে পারে না। এটা সহজ কথা নয়। আমি প্রত্যেক সপ্তাহে সপ্তাহে যাবো। প্রয়োজন হলে প্রত্যেক দিন যাবো।

তিনি বলেন, দল বলছে আপনার এলাকায় আপনি কাজ করুন। যান। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব বলছে, আপনি এলাকায় যান। আমার খুব মনে আছে, কলকাতা থেকে সুব্রত বখশি তিনি দলের রাজ্য নেতৃত্ব তাকে পাঠিয়েছিলেন বোলপুরে। তিনি আমাকে বললেন, আপনি বোলপুরে আসুন সেখানে আপনার সঙ্গে কথা হবে। সেখানে অনুব্রত মণ্ডলসহ আরও প্রতিনিধিরা থাকবেন। ওখানকার সার্কিট হাউসে আমি বসেছিলাম। আমি ছিলাম একা। তারা ছিলেন ছয় জন। সে আলোচনায় সুব্রত বখশি বলেছিলেন, দিদি চাইছেন আপনারা মিলেমিশে কাজ করুন। দুঃখের কথা হলো, সুব্রত বখশির সেই পরামর্শ যারা বসেছিলেন তারা মানেননি। আমি বলেছিলাম, আমি রাজ্য জমিয়তের বা আমার দলের প্রধান হতে পারি। দলের কাছে আমি অনুগত।

আমি মনে করি, সামনে নির্বাচন রেখে যারা মিলেমিশে কাজ করছে না সে দায়িত্ব তাদেরকেই নিতে হবে।

দলে ভাঙনের নেপথ্যেও অনুব্রত মণ্ডলের হাত রয়েছে বলেও পরোক্ষে অভিযোগ সিদ্দিকুল্লাহর। এ প্রসঙ্গে মঙ্গলকোটের বিধায়ক বলেন, “বিজেপির (BJP) লোকেরা আমাকে খবর দিচ্ছে সাহেব নিরুপায় হয়ে বিজেপিতে গিয়েছি। আমরা আসলে বিজেপি না।” এর পাশাপাশি বেআইনি বালি খাদান নিয়েও সরব হন তিনি। তাঁর অনুগামীদের ইচ্ছা করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগও তুলেছেন মঙ্গলকোটের বিধায়ক। যদিও অনুব্রত মণ্ডলের তরফে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরির মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

গ্রন্থনা : মাসউদুল কাদির

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *