ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাছের আঁশ থেকে আসে বৈদেশিক মুদ্রা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাছের আঁশ থেকে আসে বৈদেশিক মুদ্রা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিত্যক্ত মাছের আঁশ শুকিয়ে বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যাপারীদের মাধ্যমে এসব আঁশ রাজধানী ঢাকায় পৌঁছায়, এরপর প্রক্রিয়াজাত করে চীন, জাপানসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হয়। মাছের আঁশ বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন অনেক জেলে পরিবার। দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রাও।

স্থানীয় পাইকারদের কাছ থেকে প্রতি বস্তা মাছের আঁশ ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় কেনাবেচা হয়, যা কেজি হিসেবে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন বাজারে মাছ কাটার সময় মাছকাটুয়ারা এসব আঁশ আলাদা করে শুকিয়ে বিক্রির উপযোগী করেন। শহরের তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় নিয়মিত মাছের আঁশ শুকানোর চিত্র দেখা যায়।

মেড্ডা বাজারের মাছকাটুয়া রামু দাস জানান, প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কার্প জাতীয় মাছের আঁশ সংগ্রহ করেন তিনি। এসব আঁশ ধুয়ে রোদে শুকিয়ে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন।

একইভাবে, গৃহবধূ পূর্ণিমা দাস জানান, মাছের আঁশ শুকিয়ে মাসে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।

মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান মিয়া জানান, এসব মাছের আঁশ বিদেশে রফতানি হয়ে ওষুধ, ফুড সাপ্লিমেন্ট, কসমেটিকস, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক পণ্য, কৃত্রিম কর্নিয়া ও পোলট্রি খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্তত ৫০টি পরিবার মাছের আঁশ শুকানোর কাজে যুক্ত রয়েছে। ব্যবসায়ীদের তথ্য মতে, জেলা শহর থেকে প্রতি মাসে অন্তত ৫ লাখ টাকার মাছের আঁশ বিক্রি হয়।

Related Articles