মহাসড়কে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় একটি খাদে, নিহত ২

মহাসড়কে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় একটি খাদে, নিহত ২

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সড়ক দুর্ঘটনা যেন থামছেই নাা। ড্রাইভারদের প্রতিযোগিতামূলক আচরণের জন্যই নিত্য ঘটছে মৃত্যুর এমন ঘটনা। আবােরা দুই বাসের টেক্কা বাজিতে প্রাণ গেল দু’জনের। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মহাসড়কে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মহাসড়কে দুই বাস টেক্কা লাগলে তার একটি খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুজন। আহত হয়েছেন ২৪ জন। আজ বুধবার সকালে উপজেলার খেজমতপুর এলাকায় রংপুর-ঢাকা-মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বরস চন্দ্র বলেন, মহাসড়কে লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী টি আর ট্রাভেলসের একটি বাসকে প্রতিযোগিতামূলকভাবে পাশ কাটাতে যায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থেকে ঢাকাগামী ইউনাইটেড এক্সপ্রেসের একটি বাস। এ সময় ইউনাইটেড এক্সপ্রেসের বাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। আহত ২৪ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের গাড়িতে আহত ব্যক্তিদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

একটি হিসাব অনুযায়ী, এই নিয়ে গত ৬০৮ দিনে সড়কে প্রাণ ঝরল ৫ হাজার ৪০৬ জনের। দেশে কোনওভাবেই থামছে না এ সড় দুর্ঘটনা। প্রতিনিয়তই মরছে মানুষ। তাহলে কোনওভাবেই কি থামবে না এই মৃত্যুযাত্রা!

পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বরস চন্দ্র বলেন, মহাসড়কে লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী টি আর ট্রাভেলসের একটি বাসকে প্রতিযোগিতামূলকভাবে পাশ কাটাতে যায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থেকে ঢাকাগামী ইউনাইটেড এক্সপ্রেসের একটি বাস। এ সময় ইউনাইটেড এক্সপ্রেসের বাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। আহত ২৪ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের গাড়িতে আহত ব্যক্তিদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

৪ আগষ্ট ২০১৮-এর একটি তথ্যে জানা গিয়েছিল, গত সাড়ে তিন বছরে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ২৫ হাজার ১২০ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ২০ জন। এই সময়ে আহত হয়েছেন ৬২ হাজার ৪৮২ জন। এসব দুর্ঘটনার ৯০ শতাংশ ঘটেছে চালকের বেপরোয়া মনোভাব ও অতিরিক্ত গতির কারণে। ২৪ অক্টোবরে এই সংখ্যা এখন কতো-তে দাঁড়িয়েছে তাই এখন দেখবার।

এসব সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই শিশু, তরুণ ও কর্মক্ষম ব্যক্তি। এই দুই শ্রেণিকে দেশের ভবিষ্যৎ ও অর্থনীতির মূল শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনা এবং এর প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *